২৫ বছরের বড় শিক্ষিকাকে বিয়ে করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট

২৫ বছরের বড় শিক্ষিকাকে বিয়ে করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট

জো বাইডেনের জয় উদযাপন করলেন ট্রাম্পের ভাতিজি
ঝুঁকিপূর্ণ ১৫ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ
নীরবতা ভেঙে বাইডেনকে অভিনন্দন জানালেন এরদোগান

ই’মানুয়েল ম্যাক্রন এবং তার স্ত্রী’ ব্রিজেথের প্রে’মের শুরু ১৯৯৩ সালে। দু’জনের বয়সের ব্যবধান ২৫ বছর। স’ম্পর্কের সূত্রপাতও বেশ অস্বাভাবিকভাবে। ষোল বছরের এক কি’শোর প্রে’মে পড়েছেন ৪০ বছর বয়সী এক নারীর, যিনি ছিলেন তিন সন্তানের জননী। ম্যাক্রনের বর্তমান বয়স ৪১ এবং তার স্ত্রী’ ব্রিজিথ তোনিয়ো’র বয়স এখন ৬৬ বছর।

ম্যাক্রনের বয়স তখন মাত্র ১৬। সেই সময়েই তিনি ৪১ বছর বয়সী নারীর প্রে’মে পড়েন। তবে তার পরিবার এটি থামাতে অনেক চেষ্টা করেছিল। কিন্তু প্রেসিডেন্টের ভালবাসার কাছে হার মানতে বাধ্য হতে হয় তাদের। ম্যাক্রনের স্ত্রী’ একসময় তার স্কুলের নাট’কের শিক্ষিকা ছিলেন বলে জানা যায়।

ফ্রান্সের রাজনীতিতে ই’মানুয়েল ম্যাক্রনের নাট’কী’য় উত্থান হয়েছে। অথচ স্কুল জীবনে ম্যাক্রন কখনোই রাজনীতিবিদ

হতে চাননি এমনটি জানিয়েছেন তিনি নিজেই। তিনি চেয়েছিলেন একজন ঔপন্যাসিক হতে। স্কুলে জীবনে তিনি খুবই মেধাবী ছাত্র ছিলেন।

ম্যাক্রনের স্কুল শিক্ষিকা এবং বর্তমানে তার স্ত্রী’ ব্রিজিথ তোনিয়ো ছোটবেলা থেকেই তাকে চেনেন এবং জানেন। ব্রিজিথ তোনিয়ো মনে করেন, এমানুয়েল ম্যাক্রন স্কুল জীবনে অন্যদের চেয়ে ব্যতিক্রমী ছিল। ম্যাক্রন যখন ঐ স্কুল ছেড়ে যান, তারপর থেকে তার প্রাক্তন এই শিক্ষিকার সঙ্গে আরো গভীরভাবে প্রে’মের স’ম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এক সাক্ষাৎকারে ব্রিজিথ তোনিয়ো বলেছেন, ম্যাক্রন স্কুল ছেড়ে যাবার পর তাদের দু জনের মধ্যে টেলিফোনে দীর্ঘ কথোপকথন হতো। ধীরে-ধীরে শিক্ষিকার মন জয় করেন ছাত্র। দু জনের মধ্যে যখন প্রে’মের স’ম্পর্ক গড়ে উঠে, তখন শিক্ষিকা ছিলেন বিবাহিতা এবং তিন সন্তানের জননী।

২০০৬ সালে, ব্রিজিথ ম্যাক্রনের জীবনী নাট’কী’য়ভাবে পরিবর্তিত হয় – অ’প্রত্যাশিতভাবে নিজের জন্য, তিনি তার

স্বামীকে তালাক দিয়েছিলেন, যাতে উৎসাহী প্রে’মিকের পথে কোনও বাধা না থাকে। আগের স্বামীকে ছেড়ে তিনি ২০০৭ সালে বিয়ে করেন ম্যাক্রনকে।

তাদের দু জনের বয়সের ব্যবধান নিয়ে অনেক কথা শুনতে হয়েছে ম্যাক্রন এবং ব্রিজিথকে। মাঝেমধ্যে এসব সমালোচনার জবাবও দিয়েছেন ম্যাক্রন। একবার তিনি বলেছিলেন,

বয়সের ব্যবধানটা যদি উল্টো হতো অর্থাৎ আমি যদি আমা’র স্ত্রী’র চেয়ে ২৪ বছরের বড় হতাম, তাহলে বিষয়টিকে কেউ অস্বাভাবিক বলতো না। মানুষ ভিন্ন কিছু দেখে অভ্যস্থ নয়।

COMMENTS

[gs-fb-comments]