লকডাউনে ইতালিতে নতুন অধ্যাদেশ জারি

লকডাউনে ইতালিতে নতুন অধ্যাদেশ জারি

করোনা ভ্যাকসিনের দুই কোটি ডোজ আনছে মডার্না!
করোনায় বিশ্বে একদিনে ৬ হাজার মৃত্যু, আক্রান্ত প্রায় ৩ লাখ
এবার এরদোয়ানের ছবি ব্য’ঙ্গ, কড়া জ’বাব তুর’স্কের

ইতালিতে প্রতিদিনই পুরানো রেকর্ড ভেঙে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা। বিভিন্ন প্রদেশের গভর্নর সরকারকে

লকডাউনের পরামর্শ দিচ্ছেন। এদিকে সোমবার জারি হতে যাচ্ছে নতুন অধ্যাদেশ। রোম থেকে জুমানা মাহমুদের রিপোর্ট।

ইতালিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের রেকর্ড ভেঙেছে অনেক আগেই। পুরনো রেকর্ড ভেঙে ঘটছে নতুন রেকর্ড। গত দুদিনে ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে দেশটিতে। রোববার প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কন্তে গভর্নরদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। বৈঠকের ভিত্তিতে সোমবার জারি হবে নতুন অধ্যাদেশ।

এদিকে লকডাউন এবং কারফিউবিরোধী আন্দোলন নাপোলি থেকে শুরু হয়ে রোম মিলানোসহ অন্যান্য বিভাগীয়

শহরগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। লকডাউন নিয়ে ইতালির নাগরিকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

‘ভাইরাস এবং কাজ কোনো ক্ষেত্রেই আমরা সুরক্ষিত নই। যাদের কাজের ক্ষেত্রে চুক্তি ছিল তারা সরকারি সহায়তা পেয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আবার পায়নি। চুক্তিহীন কর্মজীবীরা তো কোনও টাকা পায়নি। সবকিছু বন্ধ না করে দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে।’

‘প্রধানমন্ত্রী কন্তে লকডাউনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ফ্রান্স জার্মানি স্পেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, লকডাউন দেয়া হয়েছে। কেবল বার রেস্টুরেন্টসহ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করলেই হবে না, অর্থনীতির গতি চালু রেখে সঠিক ব্যবস্থা নিতে হবে এখনই।’

এদিকে সন্ধ্যা ৬টার পর পানশালা ও রেস্তোরাঁয় বসে খাবার বিধিনিষেধ থাকায় লোকজনের সমাগম খুব একটা নেই। বেশির ভাগ রেস্টুরেন্ট সন্ধ্যার পর বন্ধ করে দেয়া হয়।

ফলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা নতুন করে আবারো কাজ হারাচ্ছেন। মাত্র কয়েক ঘণ্টার কাজে ইতালিতে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে তাদের জন্য।

এ ছাড়া বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশের নাগরিকের জন্য ইতালি প্রবেশের বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করা হলেও আইনি জটিলতায় অনেকেই ফিরতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

COMMENTS

[gs-fb-comments]