একমাসে ১৭ হাজার কোটি টাকা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে প্রবাসীরা

একমাসে ১৭ হাজার কোটি টাকা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে প্রবাসীরা

দেশের বাজারে সেরা ৫ মোটরসাইকেল
আজ ১৫-১০-২০ তারিখ, দেখে নিন দিনার,ডলার,রিয়াল,দিরহাম,রিঙ্গিত,রুপি,টাকা ও স্বর্নের রেট!
‘যতই শক্তিশালী হোক পুঁজিবাজারে কারসাজির দিন শেষ’

করো;;নাভাই;রা;সের মধ্যেও প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রবাহের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত আছে। সদ্যসমাপ্ত অক্টোবর মাসে ১৭ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের চতুর্থ মাস অক্টোবরে ২১১ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১৭ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে; (প্রতি ডলার ৮৪ টাকা ধরে)। একক মাস হিসেবে যা বাংলাদেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ রে‌মিট্যান্স আহরণ।

এর আগে, সর্বোচ্চ রেকর্ড রে‌মিট্যান্স এসেছিলো চল‌তি বছ‌রের জুলাই‌য়ে। ওই মাসে রে‌মিট্যান্স এসেছে ২৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১৫ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের রে‌মিট্যান্স পাঠিয়েছেন চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে।

চলতি বছরের অক্টোবরে পাঠানো রেমিট্যান্সের অর্থ আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৭ কোটি ডলার বা ২৮ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। গত বছর অক্টোবরে ১৬৪ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) রেমিট্যান্স এসেছে ৮৮২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময় রেমিট্যান্স এসেছিল ৬১৬ কোটি ১০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৪৩ দশমিক ২৪ শতাংশ।

এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, যারা কষ্ট করে অর্থ পাঠিয়ে আমাদের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে চালকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন, আমি পুরো দেশবাসীর পক্ষ থেকে তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিনমাস যখন অসাধারণ ও অবিশ্বাস্য গতিতে রেমিট্যান্স অর্জিত হচ্ছিল, তখন অনেকই বলতে শুরু করলেন এগুলো ঠিক নয়, থাকবে না, টেকসই নয়।

কর্মীরা তাদের কাজকর্ম বা ব্যবসা গুটিয়ে দেশে ফিরে আসছে-সহ বিভিন্ন মন্তব্য। সেসব লোকদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাও তাল মিলিয়ে বলতে শুরু করলো এ প্রবাহ ঠিক নয়, টেকসই হবে না।

মুস্তফা কামাল বলেন, খুবই আশ্চর্যের বিষয়, যে প্রবাসীরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কষ্টার্জিত অর্থ পরিবারের জন্য পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে। সেসব মানুষের মূল্যায়ন না করে নিরুৎসাহিত করতে শুরু করলাম কিভাবে!

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, শেষ পর্যন্ত আমি বিশ্বব্যাংকে আমাদের এ সব রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের কষ্টের স্বীকৃতি দিতে তাদের

বার্ষিক সভায় অনুরোধ জানালাম। বিশ্ব ব্যাংক এখন নিজেই বলছে, ২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স

প্রবাহ বেড়েছে এবং এ বছর রেমিট্যান্স প্রবাহে বাংলাদেশ অষ্টম অবস্থানে থাকবে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, চলতি বছর বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরো ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

COMMENTS

[gs-fb-comments]