যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কড়াকড়ি আরোপের জেরে টয়লেট পেপার কেনার হি’ড়িক

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কড়াকড়ি আরোপের জেরে টয়লেট পেপার কেনার হি’ড়িক

চীনের সাহায্যে কা,শ্মিরে ক্ষে,পণা,স্ত্র ঘাঁটি বানাচ্ছে পাকিস্তান
কাশ্মীর ইস্যুতে সতর্ক বিবৃতি দিল সৌদি আরব
গোমূত্র পান করে হাসপাতালে বাবা রামদেব

নতুন করে করোনা সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে। একই সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুও। ফলে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে নতুন করে কারফিউ এবং লকডাউন জারি করতে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে, নতুন করে বিধি-নিষেধ আরোপের খবরে দেশজুড়ে টয়লেট পেপার হিড়িক পড়ে গেছে।

ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নিউইয়র্ক সর্বত্রই বিধি-নিষেধ জারি হয়েছে। আর এর জের ধরেই বিভিন্ন স্থানে টয়লেট পেপার কিনে দোকান-স্টোর খালি করে ফেলছে সাধারণ মানুষ। শুক্রবার ওয়ালমার্টের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ অঙ্গরাজ্যে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় টয়লেট পেপার এবং পরিষ্কার সামগ্রী কেনার ধুম পড়ে গেছে।

শুক্রবার বিকেলে দেশটির ২২টি অঙ্গরাজ্যে নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সংক্রমণের গতি রোধ করতেই

এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ফলে বিভিন্ন শপ ও দোকান থেকে লোকজন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে জমা করতে শুরু করেছেন। সবকিছু বন্ধ থাকবে এমন আতঙ্ক থেকেই তারা এমনটা করছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু শহরের দোকানিরা রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, ওয়ালমার্ট এবং কস্টকো কস্ট. ও বিভিন্ন ধরনের

জীবানুনাশকের ওপর মূল্যছাড় দিয়েছে। অ্যারিজোনার টুকসনের ৩১ বছর বয়সী হুইটলি হ্যাচার নামের এক কর্মকর্তা বলেন, ওয়ালমার্টে লাইজল জীবানুনাশক এবং টয়লেট পেপার আবারও শেষ হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, বড় বড় স্টোরগুলোতে লোকজন জিনিসপত্রের খালি শেলফ দেখে আতঙ্কে পড়ে যাচ্ছেন এবং সে

কারণেই তারা জিনিসপত্র কিনতে শুরু করে দিয়েছেন। এদিকে, ওয়াশিংটনে টয়লেট পেপার, পেপার টাওয়েল, পরিষ্কার সামগ্রী, গ্লোভস এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার ধুম পড়েছে।

অপরদিকে, বৃহস্পতিবার ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর সেখানে কারফিউ জারি করেছেন। এরপরই সেখানে টয়লেট পেপার কেনার হিড়িক শুরু হয়।দোকানিরা জানিয়েছেন, ফ্রেসনো এবং লস অ্যাঞ্জেলসে কস্টকো স্টোরে টয়লেট পেপার শেষ হয়ে গেছে।

সান ডিয়েগোতে দুধের বড় জার, আইসক্রিমও শেষ হয়ে গেছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এক নম্বর টয়লেট পেপার বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান প্রকটার অ্যান্ড গ্যাম্বল পিজি.এন জানিয়েছে, চাহিদা অনুযায়ী যোগান দিতে তারা সপ্তাহের ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে।

COMMENTS

[gs-fb-comments]