মালয়েশিয়ায় প্র’তারণা করে রেহাই পাবেনা কোনো কোম্পানি, চালু হচ্ছে নতুন সুবিধা

মালয়েশিয়ায় প্র’তারণা করে রেহাই পাবেনা কোনো কোম্পানি, চালু হচ্ছে নতুন সুবিধা

আরব আমিরাতে বাংলাদেশিদের কাজের সুযোগ দিচ্ছে ইমার্জিং ওয়ার্ল্ড
নায়ক জায়েদ খানের বাবা আ’র নেই
অর্ধেকের বেশি বসে গেছে, এক বছরে শেষ হবে পদ্মাসেতুর স্ল্যাবের কাজ

এশিয়া মহাদেশের অন্যতম উন্নত দেশ মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রনালয় অভিবাসী কর্মীদের সুবিধার জন্য একটি নতুন অনলাইন প্লাটফর্ম তৈরী করবেন যেখানে সরকার ও কর্মীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।

আর এই মাধ্যম হিসেবে মানবসম্পদ মন্ত্রী একটি উন্নত মোবাইল অ্যাপ তৈরি করবে যা সহজেই প্রবাসী কর্মী ও স্থানীয় কর্মীরা ব্যবহার করতে পারবে। মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান বলেছেন, আগামী ১১ই জানুয়ারি যে পদ্ধতি চালু হওয়ার কথা রয়েছে তা নিয়োগকর্তা বা কোম্পানি মালিকদের কোনো ধরনের অকল্যাণ মূলক কাজ বা শ্রমিকদের সুবিধাবঞ্চিত করা হলে সরাসরি সরকারকে জানানোর সুযোগ তৈরী হবে।

এতে কর্মী এবং সরকারের মধ্যে যোগাযোগের ব্যবস্থাটি সুদৃঢ় হবে। নতুন এই পদ্ধ’তিতে কর্মচারীরা সরাসরি সরকারের কাছে অভিযোগ আবেদন পাঠাতে পারবে। কর্মীদের অন্য কোথাও গিয়ে আবেদন করতে হবেনা। দেশের প্রচলিত শ্রমিক আবাসন আইন অনুযায়ী যদি কোনো নিয়োগকর্তা নূন্যতম মানদ’ণ্ড অনুযায়ী আবাসন সুবিধা না দেয় এবং পাশাপাশি অন্যান্য শ্রমিক অধিকার থেকে ব’ঞ্চিত

করেন তখন কর্মীরা সরাসরি সরকারের কাছে অভিযোগ আবেদন জানাতে পারবেন।আর পুরো প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র সরকার এবং শ্রমিকদের মধ্যকার সম্পর্ক থাকেব। প্রতিটি অভিযোগে কর্মিদের নাম ও বিস্তারিত গো’পন রেখে কোম্পানির বিরু’দ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করবে সরকার।

তবে এই অ্যাপে সবচেয়ে দারুন ফিচার হচ্ছে বিভিন্ন ভাষা এর মধ্যে অ’ন্তর্ভু’ক্ত করা হবে যার ফলে বিদেশি কর্মীরা তাদের নিজ নিজ ভাষা সিলেক্ট করে এটি ব্যবহার করতে সক্ষম হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশী প্রবাসীরা এই অ্যাপের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় সকল ধরনের সুবিধা নিতে পারবে।

মালয়েশিয়ায় কো’ভি’ড-১৯ প্র’তিরো’ধে অভিবাসী কর্মীদের নূন্যতম আবাসন মানদ’ণ্ড অনুযায়ী আবাসন সুবিধা দেয়ার জন্য সরকার কর্তৃক বেধে দেয়া নিয়ম অনুযায়ী শ্রমিকদের থাকার জায়গা ও অন্যান্য সুবিধা প্রদান করতে হবে।

সেই সাথে প্রতিটি শ্রমিকের বাধ্যতামূলক ক’রো’না টে’স্ট করে লাজে যোগদানের নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বা মালিক পক্ষকে।এক্ষেত্রে কোনো সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হলে শ্রমিকেরা যেন এই অনলাইন সুবিধার মাধ্যমে সরকারকে তাদের অভিযো’গ জানাতে পারে সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়।

COMMENTS

[gs-fb-comments]