এয়ারপোর্ট থেকে নেমেই ওমান প্রবাসীর ই’ন্তেকাল

এয়ারপোর্ট থেকে নেমেই ওমান প্রবাসীর ই’ন্তেকাল

এয়ারপোর্টে সৌদিফেরত যাত্রী আ’টক, এক কেজি সোনা উ’দ্ধার
কাতারে ফিরে যাওয়া ৩৩ জন একদিনে ক’রো’নায় আ’ক্রান্ত
ওমান সরকার মসজিদ খোলার খবর অস্বীকার করেছে

বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার প্রথমাচর গ্রামের মোহাম্মদ জালাল মিয়া। ৭ বছর যাবত ভিসা-পতাকাহীন অ;বৈধভাবে উপসাগরীয় দেশ ওমানে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। পেশায় ছিলেন পেইন্টার থাকতেন দেশটির রাজধানী মাস্কাটের আজাইবা এলাকায়।

দূর্ঘদিন যাবত অপেক্ষায় ছিলেন সাধারণ ক্ষ;মার মাধ্যমে আউটপাস দিবে, তখনই বাংলাদেশে ফিরবেন। হঠাৎ মাস খানেক তার কিডনী স;মস্যা ধরা পড়ে। তিনি দ্বারস্ত হলেন ওমানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে।

তার জ;টিল রো;গের কথা শুনে দূতাবাসের আ;ইন সহায়তাকারী মাসুদ করিম দ্রুততার সাথে তাকে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করে দেন। শুধু তাই নয়, মাসুদ করিম নিজেই তাকে বিমান পর্যন্ত পৌছে দেন।

সাথে তার এক ভাতিজাকেও দেখভালের জন্য সঙ্গী হিসাবে পাঠানো হয়। সোমবার রাতে বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইটে করে তিনি ওমান ছাড়েন।

মাস্কাট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চট্টগ্রাম-ঢাকা হয়ে শেষ পর্যন্ত পৌঁছান সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। সেখান থেকে মাত্র চল্লিশ কিলোমিটারের পথ পাড়ি দিলেই নিজ বাড়ি, পরিবার পরিজনের সানিধ্য। না নিজ বাড়ি পর্যন্ত যেতে পারলেন না জালাল মিয়া তার আগে না ফেরার দেশে চলে গেলেন হ;তভাগ্য এই রেমিট্যান্স যো;;দ্ধো।

দীর্ঘ সাত বছর পর দেশে ফিরেও স্ত্রী সন্তানদের মুখটা দেখার সুযোগ হলো না তার, আর পরিবার কাছে পেয়েও হারালো প্রিয়জনকে।

এমন হৃদয় বি;দারক ঘ;টনাটি ঘটে গতকাল মঙ্গলবার। সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হতে বের হয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে যাওয়ার মুহুর্তে গু;রুতর অ;সুস্থতা অনুভব হলে সাথে থাকা ভাতিজা সাদিক মিয়া স্থানীয় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে তাকে ভর্তি করিয়ে দেন।

কয়েকঘন্টা পর হাসপাতালেই মা;রা যান জালাল মিয়া। মৃ;ত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর।ওমানে দীর্ঘদিন তার সাথে থাকা তার আত্মীয় দেলোয়ার বলেন,’এক ছেলে এক মেয়ের জনক ছিলেন তিনি। প্রবাসে থাকায় একমাত্র মেয়েকে জন্মের পর থেকে এক নজর দেখতেও পারেনি।

অ;সুস্থ হলে তিনি পরিবারের কাছে ফিরে যেতে ব্য;কুল হয়ে গেলে আমরা সবাই মিলে দূতাবাসের সহযোগিতায় তাকে

দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। নিয়তির কি নি;র্মমতা, দেশে ফিরে গিয়েও পরিবারের কাছে যেতে পারলেন না।’ -আকাশ যাত্রা

COMMENTS

[gs-fb-comments]