কাঠের মালা পরে ছদ্মবেশে ভারতে পালাচ্ছিল এসআই আকবর

কাঠের মালা পরে ছদ্মবেশে ভারতে পালাচ্ছিল এসআই আকবর

আমাদের জন্য অতিরিক্ত বোঝা রোহিঙ্গারা : প্রধানমন্ত্রী
হ্যাকারদের ভয়ে ফ্রান্সে সতর্কতা জারি : বাংলাদেশি
ঝালকাঠিতে স্কুলের শহীদ মিনার ভাঙ’চুর মা’মলায় যুবলীগ নেত্রী গ্রে’প্তার

ছদ্মবেশ নিতে মুখে খোঁচা খোঁচা দাঁড়ি এবং গলায় কাঠের তৈরি এক ধরনের মালা পড়ে ছিলেন আকবর…

সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে রাতের আধারে ভারতের অভ্যন্তরে মেঘালয় রাজ্যে ঢুকে পড়েন রায়হান হ;ত্যা;কা;ণ্ডে;র প্রধান আসামি বর;খাস্তকৃত এসআই আকবর।

পরে সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে আকবরকে কা;নাইঘাট থানায় নেয়া হয়। সেখান থেকে তাকে সিলেট নিয়ে আসার প্রস্তুতি চলছে।

খাসিয়াদের ম;ত বেশ ধারণ করে সেখানকার খসিয়াদের সঙ্গে মি;শে যাও;য়ার চেষ্ঠা করেন তিনি। কিন্তু মেঘালয় রাজ্যের শিলচর থানাধীন দনা খাসিয়া বস্তি এলাকার ভারতীয় খাসিয়ার হাতে ধ;রা প;ড়ে যান তিনি।

ছদ্মবেশ নিতে মুখে খোঁচা খোঁচা দাঁড়ি এবং গলায় কাঠের তৈরি এক ধরনের মা;লা পড়ে ছিলেন। কিন্তু চাঞ্চল্যকর রায়হান হত্যার মূল হো;তা হওয়ায় তার চেহারা সারাদেশের কাছেই পরিচিত ছিল। ওই জঙ্গল দিয়ে রশি কাস্তে নিয়ে খাসিয়া

সম্প্রদায়ের কয়েক;জন নিজেদের কাজেই যাচ্ছিলোন। এরমধ্যেই এসআই আকবরের চে;হারার সাথে মিলে যায় এমন একজনকে সন্দেহ করছিলো তারা।

পরে তাকে প্রশ্ন করা হলে সে দৌঁড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাৎক্ষণীক ওই খাসিয়ারা এসআই আকবরকে পাওয়া গেছে চিৎ;কার করে ধা;ওয়া দিয়ে আ;ট;ক করেন। এসময় তারা এসআই আকবরের হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপরই জঙ্গল থেকে বের করে পুলি;শকে খ;বর দিয়ে হস্তা;ন্তর করে দেয়।

সোমবার সকালে দনা খাসিয়া বস্তির প্রধান পা;ইলট খাসিয়া বাংলাদেশ সীমান্তের এ;রালী;গুল সী;মা;ন্তের তরফ আলীর ছেলে

আব্দুর রহিমকে আকবরকে আ;ট;কের খবর জানান। আব্দুর রহিম খবরটি স্থানীয় পুলিশকে অ;বগত করলে পুলিশ ও বিজিবি আকবরকে ভারতীয় খাসি;য়াদের কাছ থেকে উ;দ্ধার করে নিয়ে আসে।

এর আগে, ১১ অক্টোবর রায়হান আহমদকে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে অমানবিক ;;তন চালানো হয়। পরে তার নিথর দেহ নিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে চিকিৎক তাকে মৃ;ত ঘোষণা করেন। এ

ঘটনায় গত ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে পুলিশি হেফাজতে মৃ;ত্যু আইনে নগরীর কোতোয়ালি মডেল থানায় মাম;লা দায়ের করেন রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি। পরে ১৪ অক্টোবর পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশ পিবিআই মা;মলা;টি তদন্ত করছে।

COMMENTS

[gs-fb-comments]