পদ্মায় ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে পাঙ্গাস

পদ্মায় ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে পাঙ্গাস

করো’নামু’ক্ত পরিকল্পনামন্ত্রী
আলুর কেজি ৩০ টাকা!
ইউরেনিয়ামের মজুদ ১২ গুণের বেশি বৃ’দ্ধি করেছে ইরান

মুন্সীগঞ্জের ৫টি উপজেলার দক্ষিণ পাশ দিয়ে বয়ে চলা পদ্মায় জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে পাঙ্গাস। শনিবার (১৪ নভেম্বর) লৌহজং পদ্মাপাড়ে গিয়ে দেখা মিলেছে এমন পাঙ্গাসের বাহার। এমন কোনো জেলে নেই যে নদী মাছ ধরতে গিয়ে দুই থেকে চারটি পাঙ্গাস মাছ পাননি।

গত ৪ নভেম্বর ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়। তারপর থেকে ইলিশ তেমন না পেলেও জেলের জালে আটকা পড়ছে বড় বড় পাঙ্গাস। ওইদিন ভোরে জেলার লৌহজং পদ্মাপাড়ে দেখা যায়, কোনো কোনো জেলের জালে ১৫ থেকে ২৫/৩০টি

পাঙ্গাস ধরা পড়েছে। নদীতে নেমে অন্তত ১/২ টি পাঙ্গাস পায়নি এমন জেলেকে পাওয়া যায়নি। পদ্মানদীতে এখন চলছে রীতিমতো পাঙ্গাস শিকারের মহোৎসব। পাঙ্গাসের আকারও বেশ বড়।

গড় ওজন প্রায় ৭/৮ কেজি। ৫ কেজি ওজনের একটি পাঙ্গাসের দাম প্রায় ৪ হাজার টাকা মতো হাঁকছেন তারা। গড়ে সাতশ’ টাকা কেজি দরে লৌহজংয়ের বাজারগুলোতে কেটে বিক্রি করছেন মাছ ব্যবসায়ীরা। যাদের গোটা মাছ কেনার সামর্থ্য নেই, তারা কয়েকজন মিলে ভাগে কিনে নিচ্ছেন।

সিংহেরহাটি গ্রামের পদ্মাপাড়ের জেলে জয়নাল দেওয়ান, সালাম মাদবর, ইব্রাহিম ও ইসলাম শেখরা জানান, কেউ কেউ

গত এক সপ্তাহে ১৫-৩০টি পর্যন্ত পাঙ্গাস মাছ ধরেছেন। এ বছর ইলিশ ধরা নিষেধাজ্ঞা অভিযান কড়াকড়ি হওয়ায় জেলেরা নদীতে নামতে পারেননি। ফলে এ সময় নদীতে নেমে পাঙ্গাস শিকার করতে পেরে জেলেরা কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছেন বলে তারা জানান।

তারা জানান, সামনের জোয়ারের মৌসুম থেকে জ্যেষ্ঠ মাস পর্যন্ত জেলেরা এরকম পাঙ্গাস পেলে তাদের ক্ষতি পুষিয়ে যাবে।

লৌহজং উপজেলার কনকসার বাজারের মাছ ব্যবসায়ী রবীন্দ্র মালো জানান, আকার ভেদে একেকটি মাছ কাটতে ২০০-৪০০ টাকা পর্যন্ত নিয়েছে।

COMMENTS

[gs-fb-comments]