শেষ মু;হূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা

শেষ মু;হূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা

জমজ বাছুর জন্ম দেয়ার প্রযুক্তি বাংলাদেশে
ডোপ টেস্ট: রাজশাহীতে প্রথম ধাপেই ৪ পুলি;শ সদস্য বর;খা;স্ত
জমিতে বিদ্যুতের খুঁটি, ভয়ে চাষ করছেন না কৃষকরা

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর)। সময় বাকি আর দুই দিন। এদিকে ভোট গ্রহণের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই নির্বাচনী উত্তাপ ছড়াচ্ছে ভোটারদের মাঝে।

প্রতিদিন ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলছে প্রচার-প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা লিফলেট নিয়ে ঘুরছেন ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে। দিচ্ছেন নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি।

উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূলত ভোটের লড়াই হবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মোস্তফা মুন্সি (নৌকা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আরিফুজ্জামানের (ঘোড়া) প্রতীকের মধ্যে।

জানা গেছে, একটি পৌরসভা ও চারটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত গোয়ালন্দ উপজেলা। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ বি এম নুরুল ইসলামের মৃ;ত্যুতে এ পদে উপ-নির্বাচনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

 

সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন। কিন্তু করোনা মহা;মারির জন্য নির্বাচন স্থগিত হয়।

পরবর্তীতে ১৩ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন উপ-নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করেন ১০ অক্টোবর। কিন্তু ১৪ সেপ্টেম্বর স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৌলতদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মণ্ডলের মু;ত্যুতে আবারও স্থগিত হয় নির্বাচন। পরবর্তীতে ১০ ডিসেম্বর আবারও ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

এরা হলেন- আওয়ামী লীগের মো. মোস্তফা মুন্সি (নৌকা), বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব আলম শাহিন (ধানের শীষ), প্রয়াত উপজেলা চেয়ারম্যান এ বি এম নুরল ইসলামের ছেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. মো. আরিফুজ্জামান (ঘোড়া), সাবেক পৌর আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মাহবুব রব্বানী (আনারস) ও স্বতন্ত্র সুলতান শেখ (মোটর সাইকেল)।

 

ভোটাররা বলেন, গোয়ালন্দ উপজেলা নদী ভাঙ্গন কবলিত একটি এলাকা। প্রতিবছরই নদী ভাঙ্গনে ছোট হয়ে আসছে উপজেলার মানচিত্র। যারা প্রার্থী হয়, তারা নদী ভাঙ্গন রোধসহ অনেক ধরনের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্ত বিজয়ী হওয়ার পর আর কিছু মনে থাকে না। তাই এবার ভাল প্রার্থীকে বুঝেশুনে ভোট দেবেন তারা।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. মোস্তফা মুন্সি বলেন, আগামী ১০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে দলমত-নির্বিশেষে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন এবং বিজয়ী হলে সকলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. মো. আরিফুজ্জামান বলেন, ঘোড়া প্রতীক নিয়ে তিনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। জনগণ তার বাবাকে অনেক ভালবাসতো, সে ভালবাসা এখনো আছে। যে কারণে জনগণ তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব আলম শাহিন বলেন, ভোটারদের ব্যাপক সারা রয়েছে। সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তিনি জয়লাভ করবেন।

 

নির্বাচন রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ভোট গ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আশা করছি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন এবং তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন। এছাড়া এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাননি।

উপজেলায় মোট ভোটার ৯১ হাজার ৪৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৬ হাজার ৮৫ জন ও নারী ভোটর ৪৫ হাজার ৩৫৫ জন। ভোট কেন্দ্র ৩৫টি।

COMMENTS

[gs-fb-comments]