এত স্মার্ট আই;জিপির আন্ডারে এমন একজন এসপি থাকাটা লজ্জার : ব্যারিস্টার সুমন

এত স্মার্ট আই;জিপির আন্ডারে এমন একজন এসপি থাকাটা লজ্জার : ব্যারিস্টার সুমন

হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর শিক্ষা সমগ্র মানব জাতির জন্য অনুসরণীয় : রাষ্ট্রপতি
সিলেটের আলোচিত সেই মুন্নী এবার ইয়া’বাসহ গ্রে’প্তার
কাতারে দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর তাগিদ দিলেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা

একজন গ্রাম্য মাতব্বরের মতো আচরণ তো একজন পু’লিশ কর্মক’র্তা করতে পারেন না। আপনারা জানেন, রংপুরের সিআ;ইডির এসপি মিলু মিয়া বিশ্বা’স একজন নাপিতের সঙ্গে ডাক্তারের বিয়ে মেনে নিচ্ছেন না। যদিও তারা প্রাপ্তবয়স্ক

এবং পরিপূর্ণভাবে আইনী প্রক্রিয়ায় সংসার করছেন। উনি তাদেরকে একটি অ’পহ’রণ মা’মলায় ধরে এনে বলছেন যে, কোনোভাবেই নাকি একজন ডাক্তারের সঙ্গে একজন নাপিতের বিয়ে হতে পারে না। মানুষে মানুষে যেখানে সমানাধিকারের কথা বলেন, যেখানে সংবিধানের সকল জায়গায় একজন মানুষের সঙ্গে আরেকজন মানুষের কখনই কোনো সুপিরিওরিটি দেওয়া হয় নাই…।’

‘একজন কনস্টেবল যদি এই কথা বলতেন সহ্য করা যায়, কিন্তু সিআ;ইডির একজন এসপি যখন এই ধরনের কথা

বলেন, তখন আমা’র কাছে মনে হয় কী’ ধরনের নৈতিক শিক্ষা পু’লিশকে দেওয়া হয়েছে যার কারণে একজন এসপি ২০২০ সালে এসে এই কথা বলতে পারেন যে- একজন নাপিতের সঙ্গে ডাক্তারের বিয়ে হতে পারে না! আপনি কারে বিয়ে

করবেন, কে কারে বিয়ে করবে এটা তো পু’লিশের দেখার বিষয় না। পু’লিশ হচ্ছে একটা ডিসিপ্লিনড ফোর্স, আইনের এবং পদ্ধতির মধ্য দিয়ে পু’লিশ চলবে। আমি মনে করি এটা পু’লিশ ডিপার্টমেন্টের জন্য চরম লজ্জার।’

‘আমি আইজি;পি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, এত স্মা’র্ট একজন আইজি;পির আন্ডারে এমন একজন… সারা বাংলাদেশে কত নিউজ হইতেছে, এটা কত লজ্জার জানেন? গ্রাম্য মোড়লের মতো মাতব্বরের মতো যদি পু’লিশ একটা

ডিসিপ্লিন্ড ফোর্সের সদস্য হয়ে এইসব করেন…। এমনিতেই তো বেশিরভাগ মানুষ পু’লিশের বি’রুদ্ধে কিছু বলতে পারে না। কারণ আপনারা বিভিন্ন কারণে মানুষকে, আমাকেই তো জে’লে দিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু একটা জিনিস শোনেন, আপনারা এত বড় অন্যায় যদি করেন, এইটা কিন্তু মানুষ মেনে নিবে না।’

‘আপনি তার ওপর করলেন কি, সিআই;ডির এসপি যিনি, এই নাপিত আর ডাক্তারের কাপলকে ধরে ক্যামেরার সামনে নিয়ে আসলেন। ছবি তুললেন এবং আপনি অ্যালাউ করলেন। আপনি বলছেন যে আপনি উদাহ’রণ তৈরি করতে চান

যাতে আর কোনো ডাক্তারের সাথে আর কোনো নাপিতের বিয়ে না হয়। আপনি জানেন যে, হাই’কোর্ট-সুপ্রিমকোর্টের ডাইরেকশন আছে, কোনোভাবেই কোনো ত’দন্ত বা মা’মলার আ’সামিকে ক্যামেরার সামনে নিয়ে আসতে পারবেন না।

এই যে সামাজিক স্টিগমা তাদেরকে পু’লিশের পক্ষ থেকে দিলেন, যদিও বাংলাদেশে এমন কঠোর আইন নাই, নাইলে ক্ষতিপূরণের মা’মলাতেই তো আপনার বহুদূর যাইতে পারার কথা।’

‘আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাননীয় আইজি;পি মহোদয়ের, এই ধরনের অফিসার যদি আপনারা রাখেন এইরকম গুরুত্বপূর্ণ পোস্টে, তাইলে পু’লিশের বদনাম ছাড়া সুনামের কোনো সুযোগ নাই। এত ভালো ভালো কাজ আপনারা করেন, শুধু এইরকম দুই-একজন এইরকম অফিসারের জন্য…. এইরকম কথা তো গ্রাম্য মাতব্বরেরাও ইদানিং বলে না। মানুষ তো অনেক আগাইছে।

সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে মানুষ পৃথিবীটারে কোথায় নিয়ে গেছে। রংপুরের সিআ;ইডির একজন এসপি যখন এই কথা বলেন, তখন যাওয়ার আর জায়গা থাকে না। একজন কনস্টেবলেরও তো এখন এর চেয়ে আন্ডারস্ট্যান্ডিং আছে যে কী’ভাবে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হয়।’

COMMENTS

[gs-fb-comments]