ছাত্রলীগের দুই নেত্রীর এলোপাতাড়ি মা’র খেয়ে ঢাবি প্রক্টরকে চিঠি আরেক নেত্রীর!!

ছাত্রলীগের দুই নেত্রীর এলোপাতাড়ি মা’র খেয়ে ঢাবি প্রক্টরকে চিঠি আরেক নেত্রীর!!

বাড়িওয়ালার ছেলের হাতে ভাড়াটিয়ার মেয়ে ধ’র্ষ’ণের শি’কার
চু’রি যাওয়া ১৭ দিনের সেই শি’শুর ম’রদে’হ মি’লল পু’কুরে
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হচ্ছে আজ

কে’ন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও হলপর্যায়ের দুই জ্যেষ্ঠ নেত্রীর মা’রধ’রের শি’কার হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের নেত্রী সাবেক এজিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে জীবনের নি’রাপত্তা চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। চিঠি পেয়ে তাকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বা’স দিয়েছেন প্রক্টর।

২১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আ’ইন অনুষদ ও বঙ্গব’ন্ধু টাওয়ার এলাকায় মা’রধ’রের শি’কার হন বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও হল ছাত্রসংসদের সাবেক এজিএস ফা’ল্গুনী দাস তন্বীর। তাকে হা’মলায় অ’ভিযু’ক্ত দুই নেত্রী হলেন কে’ন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনজীর হোসেন নিশি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াসমিন শান্তা।

ঘ’টনার পর অ’ভিযু’ক্ত দুই ছাত্রলীগ নেত্রী বেনজীর ও জিয়াসমিন দা’বি করেন, ‘বেয়াদবি’ করায় তারা ফা’ল্গুনীকে ‘শাসন’ ক’রেছেন। এ ঘ’টনার জে’রে জীবনের নি’রাপত্তা চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর একেএম গো’লাম রব্বানীকে চিঠি দিয়েছেন ফা’ল্গুনী।

প্রক্টরকে দেয়া চিঠির বিষয়ে ফা’ল্গুনী বলেন, চিঠিতে ২১ ডিসেম্বর আমাকে মা’রধ’রে ঘ’টনাটি তুলে ধ’রেছি। আমাকে মা’রধ’র করা জিয়াসমিন ও বেনজীর ছাড়াও সহযোগী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা শাহ’জালালের নাম উল্লেখ করে জীবনের নি’রাপত্তা চেয়েছি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর চিঠি পেয়ে ওই ছা’ত্রীকে সব ধ’রনের সহযোগিতার আশ্বা’স দিয়েছেন। প্রক্টর বলেন, চিঠি গ্রহণের পর পরই দুজন সহকারী প্রক্টরের স’ঙ্গে তাকে যোগাযোগ ক’রতে বলা হয়েছে। কোনো কিছু স’ন্দে’হ’জনক মনে হলে আমাদের জা’নাতে বলেছি।

মা’রধ’রের ওই ঘ’টনায় ছাত্রলীগ আনুষ্ঠানিক কোনো ত’দন্ত কমিটি গঠন করেনি। তবে সংগঠনের কে’ন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য জা’নিয়েছেন তারা ব্য’ক্তিগতভাবে ত’দন্ত করছেন।

মা’রধ’রের শি’কার ফা’ল্গুনী দাস তন্বী ওই দিনের ঘ’টনা স’ম্পর্কে যুগান্তরকে বলেন, ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন নিশি এবং শামসুন নাহার হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জেসমিন শান্তা ২১ ডিসেম্বর রাত ১২টার দিকে আমাকে ফোন দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আ’ইন অনুষদে যেতে বলেন।

টেলিফোন পেয়ে আমি সেখানে গেলে তারা আমাকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তারা আমাকে মা’রতে উদ্যত হলে সেখান থেকে আমি দৌড়ে চলে আসি। তখন তারা আমাকে ধাওয়া করে বঙ্গব’ন্ধু টাওয়ারের সামনে ধ’রে ফে’লে ন। এ সময় তারা আমাকে উপর্যুপরি মা’রতে থাকেন। এ সময় তাদের স’ঙ্গে থাকা দুই যুবক আমাকে ঘিরে ধ’রে।

মা’রধ’রের একপর্যায়ে আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে শান্তা আমা’র পায়ে জো’রে চা’প দিয়ে ধ’রে রাখে আর নিশি আমাকে এক পা দিয়ে চা’পা দিয়ে এলোপাতাড়ি লাথি মা’রতে থাকে। তারা আমা’র গলায় পাড়া দেয়। একপর্যায়ে আমা’র গলা দিয়ে র’ক্ত বেরিয়ে আসে।

তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও দায়িত্বরত পু’লিশ আমাকে উ’দ্ধার ক’রতে এগিয়ে আসে৷ আমি প্রাথমিক চিকিৎ’সা নিই। এখন পর্যন্ত আমি শক্ত কিছু খেতে পারছি না, ব্য’থা হয়। রাস্তায় প’ড়ে যাওয়ায় আমা’র হাত, পা ও মা’থায় আ’ঘাত লাগে।

তন্বীর অ’ভিযোগ, দুই ছাত্রলীগ নেত্রী তাকে হ’ত্যার উদ্দেশ্যে মা’রধ’র করে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন নেতাদের জা’নিয়েছেন বলে জা’নান তন্বী। নেতারা ব্যব’স্থা না নিলে আ’ইনি ব্যব’স্থা নেবেন তিনি।

COMMENTS

[gs-fb-comments]