বাসা ফাঁকা থাকলেই বান্ধবীদের এনে উল্লাসে করতো দিহান

বাসা ফাঁকা থাকলেই বান্ধবীদের এনে উল্লাসে করতো দিহান

১৪ লাখ সদস্যের ট্রাম্প সমর্থকের গ্রুপ সরালো ফেসবুক
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হচ্ছে আজ
কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভেঙে ফেলা ভাস্কর্যের পুনর্নির্মাণ শুরু

রাজধানীর কলাবাগানের ডলফিন গলি এলাকায় ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের এক শিক্ষার্থীকে পর অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে তার বয়ফ্রেন্ড ফারদিন ইফতেখার দিহান ও তিন সহপাঠীর বি’রুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় এ ঘ’টনা ঘ’টে। নি’হত ওই তরুণী (১৭) ও লেভেলের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার নাম আনুশকাহ নূর আমিন।

নি’হত শিক্ষার্থীর বোন জামাই শরীফ বলেন, সে স’ম্পর্কে আমা’র চাচাতো শ্যালিকা। এ বছর মাস্টারমাইন্ড স্কুল থেকে ও-লেভেল পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটার দিকে কলাবাগানের ডলফিন গলিতে কোচিং ক’রতে গেলে এ সময় তার এক বান্ধবী মিথ্যা প্রলো’ভন দেখিয়ে একটি বাসায় নিয়ে যায়। এ সময় ওই বাসাতে চারজন মিলে তাকে করে।

যখন প্রচন্ড র’ক্তপাত শুরু হয় তখন অ’ভিযু’ক্ত ফারদিন ইফতেখার দিহান তাকে ধানমন্ডির আনোয়ার খান ম’র্ডান হাসপাতা’লে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিকাল পাঁচটায় হাসপাতা’লে চিকি’ৎসাধীন অব’স্থায় মা’রা যায়। ম’রদে’হ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লের ম’র্গে রয়েছে। এ বিষয়ে আম’রা মা’মলা করেছি।

চিকি’ৎসকরা জা’নান, শি’কার আনুশকাহের শ’রীর থেকে অ’তিরিক্ত র’ক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তার পে’টের ডান পাশে আ’ঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে কলাবাগান থা’না পু’লিশ ম’রদে’হ উ’দ্ধার করে ম’য়নাত’দন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ ম’র্গে পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, নি’হত শিক্ষার্থীর মা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে চাকরি করেন। বাবা ব্যবসায়ী। তিন ভাই বোনের মধ্যে সে ছিল বড়। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে পরিবারের সদস্যদের স’ঙ্গে থাকতেন। নি’হত শিক্ষার্থীর মা জা’নান, আমা’র মে’য়েকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ও আমাকে যখন ফোন করে জা’নিয়েছিল তখন আমি অফিসে ছিলাম।

আমাকে জা’নায়, মা আমি ক্লাসের ওয়ার্কসিট আনতে যাচ্ছি। এই বলে গেছে। দুপুর একটার পরে একটি ছে’লে মুঠোফোন থেকে ফোন দিয়ে জা’নায়, আমা’র মে’য়ে অ’জ্ঞান হয়ে গেছে। ওকে হাসপাতা’লে নিয়ে এসেছি। আপনারা আসেন। পরবর্তীতে গিয়ে দেখি মে’য়ের নিথর দে’হ প’ড়ে আছে। ওকে হাসপাতা’লেই আনা হয়েছে মৃ’ত।

কলাবাগান থা’নার ইন্সপেক্টর (অ’পারেশন্স) ঠাকুর দাস বলেন, ওই ছা’ত্রীর বাসা রাজধানীর ধানমন্ডির সোবহানবাগে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে ওই ছা’ত্রী তার ব’ন্ধুর স’ঙ্গে দেখা করার কথা বলে বাসা থেকে বের হন। কলাবাগানের ডলফিন গলিতে দিহানের বাসায় যান ওই ছা’ত্রী।

দিহানের বাসা তখন ফাঁকা ছিল। সেখানে ওই ছা’ত্রী শি’কার হওয়ার পর অ’সু’স্থ হয়ে পড়লে দিহান তার তিন ব’ন্ধুকে ফোন করে ডেকে আনে। পরে তারা অ’সু’স্থ ছা’ত্রীকে চিকিৎ’সার জন্য মডার্ণ আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে নিয়ে যায়। সেখানে বিকালে তার মৃ’ত্যু হয়।

COMMENTS

[gs-fb-comments]