চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম পৌনে ৩ টাকা!

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম পৌনে ৩ টাকা!

সড়ক দুর্ঘ’টনায় স্বামী, একমাত্র সন্তান, পুত্রবধূ, নাতনি, শ্ব’শুর ও ভাইপোকে হারিয়ে পাগলপ্রায় ঝর্না রানী
ক্ষ’মতার পর এবার স্ত্রীকেও হারালেন ট্রাম্প?
বাংলাদেশ থেকে নতুন করে দুই বিভাগে লোক নেবে সৌদি সরকার

এক হাজার ১০০ টন পেঁয়াজ নিলামে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। যার মূল্য ধরা হয়েছিল আনুমানিক চার কোটি টাকা। বুধবার (২০ জানুয়ারি) নিলামেও তোলা হয়েছিল পেঁয়াজগুলো। কিন্তু নিলাম শেষে দেখা যায়, একটি চালানে পেঁয়াজের সর্বোচ্চ দর উঠেছে কেজিতে মাত্র ২ টাকা ৭৯ পয়সা। আবার আরেকটি চালানে প্রতি কেজি পেঁয়াজের সর্বোচ্চ দর উঠেছে ১৮ টাকা ৩০ পয়সা। সব মিলিয়ে ১৯টি চালানে প্রতি কেজি পেঁয়াজের গড় দাম সাড়ে ১০ টাক মাত্র।

এদিকে নিলামে তোলা পেঁয়াজের ছবি প্রকাশ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ছবিতে দেখা যায়, কনটেইনারের ভেতর বস্তা ভেদ করে বের হয়ে আছে পেঁয়াজের চারা। তবে দুটি চালানে চারা কিছুটা কম। এ পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল ২০২০ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে। দরপতনের কারণে ব্যবসায়ীরা এসব পেঁয়াজ খালাস নেননি।

অনলাইন নিলামে অংশ নেয় মোট ১০ ব্যক্তি। এরমধ্যে ১৯টি চালানের ১৩টিই পেয়েছেন নুরুল আবছার নামের এক ব্যক্তি। এছাড়া তিনটি করে পেয়েছেন মোহাম্মদ মইনুদ্দিন জাবেদ ও শেখ মইনুদ্দিন চৌধুরী।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, বিকল্প দেশ থেকে আমদানি হওয়া পেঁয়াজের গড় মূল্য পড়েছে প্রতি টন ৪৪৩ ডলার। প্রতি কেজির আমদানি মূল্য পড়ছে প্রায় ৩৭ টাকা। সে হিসাবে নিলামে ওঠা পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে সাড়ে চার লাখ ডলার বা পৌনে চার কোটি টাকায়। এই পেঁয়াজ নিলামে বিক্রি করে কাস্টমস পেয়েছে ৯৭ লাখ টাকায়।

নিলামের দায়িত্বে থাকা চট্টগ্রাম কাস্টমসের উপকমিশনার ফয়সাল বিন রহমান বলেন, পচনশীল পণ্য হওয়ায় দ্রুত নিলামে তোলা হয়েছে এসব পেঁয়াজ। এখন সর্বোচ্চ দরদাতাদের দর পর্যালোচনা করে তা অনুমোদন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

COMMENTS

[gs-fb-comments]