বিকেলের পর থেকেই সুনসান খুলনা

বিকেলের পর থেকেই সুনসান খুলনা

নাসরিন সুলতানা রুপার কবিতা
কেড়ে নেয়া হচ্ছে সেই ডিসির শুদ্ধাচার সনদ
সরকারি চাকরিজীবীরা ১০ এপ্রিলের মধ্যে পাবেন নববর্ষ ভাতা

দুপুরের পর থেকে আর খোলা পাওয়া যায়নি দোকানপাট, চায়ের দোকানেও ছিল না আগের দিনের মত ভিড়।সড়কে লোক চলাচল কম থাকায় গণপরিবহন চলাচলও ছিল সীমিত। কাঁচাবাজার খোলা থাকলেও ক্রেতার ছিল খুবই কম। বাজারে আগতদের প্রায় সবাইকে মাস্ক ব্যবহার করতে দেখা যায়।পুলি’শ-র‍্যা’বের টহল জোরদার হওয়ায় শনিবার (৫ জুন) সন্ধ্যার পর

খুলনা মহানগরীর আড্ডার স্থানগুলোতে পুলি’শি নজর’দারী বাড়ানোর কারণে ফাঁকা ছিল সেই স্থানগুলো। ফলে সন্ধ্যার পর অনেকটা ভুতুড়ে নগরীতে পরিণত হয় মহানগরী খুলনা। প্র’শাস’নের কঠো’র’তার কারণে করো’নারো’ধে জারি ‘করা

বি’ধি’নি’ষে’ধের দ্বিতীয় দিন এমনই কেটেছে খুলনায়। শুক্রবার (৪ জুন) থেকে শুরু হওয়া এ বিধি’নিষে’ধ চলবে ১০ জুন পর্যন্ত। খুলনায় করোনা আক্রান্ত ও মৃ’ত্যুর সংখ্যা ক্র’মাগত বৃদ্ধির কারণে জেলা প্রশাসন মহানগরীর তিন ও জেলার এক থানায় কঠোর বি’ধিনিষে’ধ জারি করে। প্রথ’মদিনে

বি’ধিনি’ষেধ না মানার প্রবণতা দেখা গেলেও দ্বিতীয় দিনে ছিল ভিন্ন চিত্র।নগরীর রূপসা, পিটিআই মোড়, ডাকবাংলা, ফেরিঘাট, শিববাড়ি, শান্তিধাম মোড়, রয়েল মোড়, সাতরাস্তা মোড়, ময়লাপোতা মোড়, গল্লামারী, হাউজিং বাজারসহ বেশ কিছু স্থানে ঘুরে দেখা যায়, সবই ছিল বন্ধ। তবে কিছু

অসাধু ব্যবসায়ী শাটার অর্ধেক বন্ধ রেখে বাইরে লোক দাঁড় করিয়ে বেচাকেনা করেছে।তবে প্রশাসনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নগরীর বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ডাকবাংলো মোড় এলাকার সব শপিংমল, দোকানপাট বন্ধ রাখেন ব্যবসায়ীরা। খোলা ছিল শুধু ফলের দোকান। বন্ধ রয়েছে খুলনা শপিং কমপ্লেক্স,

রব মার্কেট, খুলনা নিউমার্কেটসহ রেলওয়ে মার্কেটের কাপড়ের দোকান পুলিশ জানায়, বেলা ১১টায় স্যার ইকবাল রোডের কার্ড সেন্টার খুলে বেচাকেনা শুরু করে ব্যবসায়ী। পুলি’শ ও ম্যাজি’স্ট্রে’টের গাড়ি দেখে মালিক পালিয়ে গেলে কর্মচারী বাবুকে একহাজার টাকা জরিমানা এবং দোকান সিলগালা করা হয়। খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে সতর্ক হন সবাই।

ফলে দুপুরের পরই নগরীজুড়ে বিরাজ করে শুনশান নীরবতা। নগরীর হাজি মহসীন রোডের একটি বড় দোকানের মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জীবনে অনেক ব্যবসা করেছি, বেঁচে থাকলে আরও করতে পারবো। প্রশাসন যে বিধিনিষেধ জারি করেছে, তা মানলে আমাদেরই উপকার।

তাই সবার উচিত আইন কানুন মেনে চলা। খুলনা জেলা প্রশাসনের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহানগরীর খুলনা সদর, খালিশপুর ও সোনাডাঙ্গা থানার সব দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ থাকবে। কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি দোকান বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

 

COMMENTS

[gs-fb-comments]