প্রয়োজন হলে কিছু এলাকা শাটডাউন করা হবে: কাদের

প্রয়োজন হলে কিছু এলাকা শাটডাউন করা হবে: কাদের

টাঙ্গাইলের ২০১ গম্বুজ মসজিদ উদ্বোধন করবেন কাবা শরিফের ইমাম
বাংলাদেশে সবধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে: শেখ হাসিনা
‘ভারত ৩৭০ ধারা তুলে নেয়ার পর কাশ্মীর স্বাধীন’

বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক সৃষ্টি করা নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে প্রয়োজন হলে কিছু কিছু এলাকা শাটডাউন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার সচিবালয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

গত বছরের শেষ দিন চীনের উহান প্রদেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়। এরপর উহানে করোনা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। চীনের গণ্ডি পেরিয়ে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের দেড় শতাধিক দেশ ও অঞ্চলে। ইতোমধ্যে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা আট হাজার ছুঁই ছুঁই করছে। আক্রান্তের সংখ্যাও দুই লাখের কাছাকাছি। করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে বিভিন্ন দেশ লকডাউন করা হয়।

সম্প্রতি বাংলাদেশেও ১০জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি যেন বিস্তার করতে না পারে প্রয়োজন হলে সরকার বেশ কিছু এলাকা শাটডাউন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

সেতুমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে দেশ শাটডাউনের চিন্তা সরকারের নেই। তবে প্রয়োজনে কিছু এলাকা শাটডাউন করা হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় মাস্ক, ওষুধ, কীটসসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিদেশ থেকে যারা এসেছেন তারা যদি কোয়ারেন্টাইন না মানেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে করোনা মোকাবেলায় সবাইকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘করোনা আমাদের নতুন অভিজ্ঞতা। এ ধরনের সমস্যা ফেস করার মতো অভিজ্ঞতা আমাদের আগে ছিল না। এটিকে কাজে লাগিয়ে আমরা করোনা মোকাবিলা করছি। করোনা আমাদের জাতীয় শত্রু। তাই দলমত নির্বিশেষে সবাইকে মিলে এর মোকাবিলা করতে হবে। এজন্য সবাইকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।’

রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ করার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আপাতত সভা সমাবেশ করব না। সেজন্য মুজিববর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সীমিত করেছি। টুঙ্গিপাড়ায় মানুষের ঢল নামার কথা, সেখানে মানুষের উপস্থিতি সীমিত করেছি। বিশ্বব্যাপী করোনার যে আতঙ্ক তা সতর্কতার সঙ্গে মোকাবিলা করব।

করোনাভাইরাসের কারণে আন্তঃজেলা যাত্রীবাহী যান চলাচল বন্ধের প্রয়োজন হলে সে ব্যবস্থাও নেয়া হবে বলে জানান সেতুমন্ত্রী। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যাত্রী কমে যাওয়ায় পরিবহন মালিকরা হতাশ। পরিস্থিতি কমিয়ে ফেলবে। তারপরও যদি প্রয়োজন হয়, আমরা ব্যবস্থা নেব।’

COMMENTS

[gs-fb-comments]