সিনহা হত্যা মামলায় এসপি মাসুদকেও আসামি করার আবেদন

সিনহা হত্যা মামলায় এসপি মাসুদকেও আসামি করার আবেদন

শাহজালালে সাড়ে ১৫ কেজি মাদকসহ আটক ৬
দাম্পত্য জীবনে সুমন ছিলেন পাপিয়ার হাতের পুতুল!
ঢাকাবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেনকেও আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন করেছেন মামলার বাদী ও সিনহার বোন শারমীন শাহরিয়ার ফেরদৌস।

কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে এ আবেদন করেন মামলার বাদী শারমিন। আবেদনটি আমলে নিয়ে শুনানি শেষে আদেশের অপেক্ষায় রেখেছেন আদালত।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মোস্তফা এক ব্রিফিংয়ে বলেন, এসপি এবিএম মাসুদ হোসেনকে মেজর সিনহা হত্যা মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য একটি ফৌজদারি আবেদন করেছি। আদালত আবেদনটি আমলে নিয়ে শুনানি শেষে আদেশের অপেক্ষায় রেখেছেন।

সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মোস্তফা বলেন, ‘কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন মেজর সিনহা হত্যা মামলার তদন্তকাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেই চলেছেন। এসপি মাসুদ সিনহা হত্যা মামলার আসামি বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকতকে কারাগারে ডিভিশন দেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছেন। আসামিদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। অর্থাৎ এসপি এবিএম মাসুদ হোসেন তার দাপ্তরিক কার্যক্ষমতা আসামিদের পক্ষে কাজে লাগাচ্ছেন।’

পুলিশ সুপারকে আসামি করার কারণ সম্পর্কে বাদী শারমিন সাংবাদিকদের জানান, এসপি এবিএম মাসুদ হোসেন ঘটনার শুরু থেকেই আসামিদের পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। উনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। মেজর সিনহার মানহানি করেছেন।

শারমিন বলেন, ‘তাই আদালতের কাছে আমার প্রত্যাশা এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে এসপি মাসুদকে উক্ত মামলায় আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করবে।’

গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ থেকে কক্সবাজারে ফেরার পথে মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এরপর গত ৫ আগস্ট টেকনাফ থানার পরিদর্শক লিয়াকত, ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনকে আসামি করে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন সিনহার বড় বোন।

আদালতের নির্দেশে মামলাটি র‌্যাব তদন্ত করছে। তারা মামলার ১৩ আসামিকে নানা মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এ পর্যন্ত মামলায় বরখাস্ত ওসি প্রদীপ ছাড়া বাকি ১২ আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি সোমবার তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

COMMENTS

[gs-fb-comments]