আপিল প্রক্রিয়া শুরু করেছেন মিন্নির বাবা

আপিল প্রক্রিয়া শুরু করেছেন মিন্নির বাবা

বিমান দুর্ঘটনায় যাত্রী মারা গেলে তার পরিবার পাবে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ
বুড়িগঙ্গায় অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চডুবি
আর বেঁচে নেই এরশাদ

বরগুনায় প্রকাশ্যে কু;পি;য়ে খু;;ন রিফাত শরীফ শ;রীফ হ;ত্যা মা;ম;লায় ফাঁ;সির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পক্ষে উচ্চ আদালতে আপিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

রায়ের কপি হাতে পেয়েই শনিবার রাতে ঢাকা পথে রওনা হন মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর। আজ রবিবার (৪ অক্টোবর) বিকেলে তিনি আপিল প্রক্রিয়া শুরু করেন।

রায়ের কপি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেড আই খান পান্নার সাথে তিনি দেখা করতে গেছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে।বিকেল ৪টার দিকে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর গণমাধ্যমকে বলেন, উচ্চ আদালতে আপিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছি।

এদিকে রিফাত শরী;ফ হ;ত্যা মা;ম;লার রায়ের ৪২৫, ৪২৬ ও ৪২৭ পৃষ্ঠা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সাক্ষী থেকে আসামি

হওয়া আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে এই মামলার ঘটনার পরিকল্পনার মূল উদ্যোক্তা (মাস্টারমাইন্ড) বলে আখ্যায়িত করেছেন আদালত। তার কারণেই রিফাত শরী;ফ খু;ন হয়েছে;ন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ‘রিফাত ফরাজী, রাব্বি আকন, সিফাত, টিকটক হৃদয়, মো. হাসান ও মিন্নি রিফাত

শরী;ফকে হ;ত্যা;র অভিন্ন উদ্দেশ্য পূরণক;’ল্পে ঘটনার তারিখ, সময় ও স্থানে এই মা;ম;লা;র ঘটনা ঘটাইয়া তাহাকে খু;ন করেন। যা পেনাল কোডের ৩০২ তৎসহ পঠিত ৩৪ ধারার অধিন শা;স্তিযোগ্য অপরাধ করিয়াছে মর্মে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হইয়াছে।’

আদালত বলেন, ‘কতিপয় ব্যক্তি মিলি;য়া কোন অ;প;রা;ধমূলক কাজ করিলে সেই অপ;রাধের জন্য তাহাদের প্রত্যেককে সমানভাবে দায়ী করা হইবে। সেই সেই কারণেই দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত সকল আ;সামি সমানভাবে অ;পরা;ধী।’

আদালত মিন্নি প্রসঙ্গে বলেন, ‘আসামি মিন্নি এই মাম;লার ঘটনার মূল পরিকল্পনার মূল উদ্যোক্তা (মাস্টারমাইন্ড)। তার কারণেই রিফাত শরীফকে খুন হতে হয়েছে। তার মা-বাবাকে পুত্র শুন্য হতে হয়েছে। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হইলে তার

পদাঙ্ক অনুসরণ করিয়া তার (মিন্নির) সম বয়সী মেয়েদের বিপদগামী হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। তাই এই মামলার তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া বাঞ্চনীয়।’

মামলার রায়ের ১১ ও ১২ নম্বর পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘আনুমানিক ১০টায় ভিকটিম রিফা;ত শ;রীফ মিন্নিকে নিয়ে কলেজ হইতে বাহির হইয়া যাবার উদ্দেশে কলেজ গেটের বিপ;রীত পাশে রাখা তাহার মোটরসাইকেলের দিকে যাইতে

থাকিলে আসামি মিন্নি পূর্বপরিকল্পনার অংশ হিসেবে অন্যান্য আসা;মিকে ভিকটিম রি;ফাত শরীফ;কে সুযোগ করিয়া দেওয়ার কৌশল হিসেবে রিফা;ত শরীফের মোটরসাইকেলে না উঠিয়া পিছন হইতে পুনরায় কলেজ গেটের দিকে ফিরিয়া যায়। ওই

সময় নি;হ;ত রিফাত শরী;ফ আ;সামি মিন্নিকে ফিরাইয়া আনার উদ্দেশে পিছন পিছন কলেজ গেটের দিকে যায়। তখন আসামি মিন্নি, আসামি রিফাত ফরাজীকে ইশারা দেয়। সাথে সাথে শিশু (আসামি) রিশান ফরাজী ভিকটিম রিফাত

শরীফের দুই হা;তসহ কোমড় পিছন হইতে ঝাপটাইয়া ধরে ও আ;সামী রিফা;ত ফরা;জী শার্টের কলার ধরে। তাহাদের সাথে

আসামী রাব্বি আকন, টিকটক হৃদয়, সিফাত এবং শিশু রিফাত হাওলাদার, রায়হান, নাঈম, তানভীর, প্রিন্স ও নাজমুল

গং ভিকটিম রি;ফাত শ;রী;ফকে কলেজ গেট হইতে টানা হেচড়া করিয়া মারিতে মারিতে ক্যালিক্স একাডেমির গেটের সামনে রাস্তার উপর নিয়ে যায়। ওই সময় আ;সামি মিন্নি পূর্বপরিকল্পিতমতে তাহাদেরকে কোনরুপ বাধা প্রধান না করিয়া তাদের পিছন পিছন অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবে হাটিয়া যায়।’

গত বছরের ২৬ জুন সকা;লে বরগুনা সরকা;রি কলেজে;র সামনে কিশোর গ্যাং বন্ড বাহিনী কু;পি;য়ে হ;ত্যা করে রি;ফা;ত শ;রীফকে। ওই হ;ত্যা;কা;ণ্ড সারা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল।
;
ঘটনার পরদিন ২৭ জুন রি;ফাতের বাবা মো. আ;বদুল হালিম দুলাল শ;রীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনের বি;রুদ্ধে এক;টি হ;ত্যা মা;ম;;লা করেন।

এরপর পুলিশ একে একে গ্রে;প্তার করে এজাহারভুক্ত আসামিদের। রি;ফা;তের ওপর হাম;লা;র ছয়দিন পর ২ জুলাই ভোর রাতে পুলি;শের সঙ্গে ব;ন্দুকযু;দ্ধে নি;হ;ত হন এ মামলার আলোচিত প্রধান আসা;মি সাব্বির আ;হমেদ নয়ন ওরফে নয়ন বন্ড। এক পর্যায়ে সা;ক্ষী মিন্নিকে আসা;মি করা হয় এই ;মা;মলায়।

সর্বশেষ ৩০ সেপ্টেম্বর মিন্নিসহ ছয় আসামিকে ;মৃ;ত্যু;দ;ণ্ড দেন বরগুনা জেলা ও দায়রা; জজ আদা;ল;তের বিচারক মো. আছাদুজ্জা;মান।

COMMENTS

[gs-fb-comments]