চো;খের পানি মুছে বছর পার করলেন আবরারের মা

চো;খের পানি মুছে বছর পার করলেন আবরারের মা

আজ দশ দশ বিশ!
মালয়েশিয়ায় নতুন করে দেওয়া লকডাউনে অ’নিশ্চয়তায় প্রবাসীরা
প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরকে আরও আকর্ষণীয় করতে আসছে ৬৫০ সিসির মোটরসাইকেল

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের প্রথম মৃ’ত্যুবার্ষিকী’ আজ মঙ্গলবার। গত বছরের ৬ অক্টোবর গভীর রাতে বুয়েট হলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নি’র্মম নি’র্যাতনে নি’হত হন আবরার ফাহাদ।

পরিবারের প্রিয় সন্তানকে অকালে হা’রানোর বেদনা কোনোভাবেই ভুলতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। এখনো শোকের মাতম আবরারের কুষ্টিয়ার বাড়িতে। এক বছরেও কা’ন্না থামেনি আবরারের মা রোকেয়া খাতুনের। বাড়িতে কেউ গেলেই আবরারের স্মৃ’তিচারণ করে কা’ন্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

গতকাল আবরারের মা রোকেয়া খাতুন এক বছরের স্মৃ’তিচারণ করতে গিয়ে ওড়না দিয়ে চোখ মুছ;তে মুছতে জানান, আবরারের হ’ত্যা মা’মলার এজহার আমি এখনো পড়িনি। ওরা কিভাবে আমা’র ছে’লেকে মে’রেছে এসব পড়লে আমি

সহ্য করতে পারব না। তবে মন শক্ত করে রেখেছি মা’মলার রায় ঘোষণার পর এজাহারটি পড়ে দেখব, ওরা কত ক’ষ্ট দিয়ে আমা’র সোনার ছে’লেকে মে’রেছে।

তিনি জানান, বুয়েটে চান্স পাওয়ার পর আমি আবরারকে ক্যাম্পাসের হোস্টেলে রাখতে যাই। কিন্তু বুয়েট কর্তৃপক্ষের টানানো তালিকায় আবরার ফাহাদের নাম আসে না। পরে আমি প্রভোস্টের সাথে দেখা করি। আরেকটি তালিকা টানানো হবে বলে তিনি আমাকে অ’পেক্ষা করতে বলেন।

দ্বিতীয় তালিকায় আবরারের থাকার হোস্টেলের তালিকায় ক্যাম্পাসের ভেতরের ম’সজিদের নাম আসে। তখন প্রভোস্টের সাথে দেখা করলে বলেন, ওদের জন্য ম’সজিদই নিরাপদ। কিন্তু সে সময় আমি প্রভোস্টের সেই কথার ইশারা বুঝতে পারিনি। তখন তার কথার ভাষা বুঝতে পারলে আমি আবরারকে কখনোই বুয়েটে ভর্তি করতাম না।

এ দিকে আবরার ফাহাদের মৃ’ত্যুর এক বছরেও স্থানীয় সংসদ সদস্যের দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি। সে সময়

কুমা’রখালী-খোকসা (কুষ্টিয়া-৪) আসনের এমপি ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জের আবরারের রায়ডাঙ্গার বাড়িয়ে গিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসেন।

এর মধ্যে আবরার ফাহাদের বাড়ির সামনে টিন দিয়ে ঘেরা ম’সজিদ পাকাকরণ, আবরারের সমাধিস্থ রায়ডাঙ্গা গোরস্থান উন্নয়ন ও বাড়ির সামনের রাস্তাটি আবরার ফাহাদের নামে নামকরণের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। এক বছর অ’তিবাহিত হলেও এসব প্রতিশ্রুতির কোনোটিই বাস্তবায়ন হয়নি।

আবরারের ৭০ বছরের বৃদ্ধা দাদী হাজেরা খাতুন বলেন, নাতি মা’রা যাওয়ার পর কত মানুষ বাড়িতে আসত। এখন কেউ আসে না।তিনি বলেন, সে সময় এমপি সাহেব বাড়িতে এসে ম’সজিদ ও গোরস্থান উন্নয়নের কথা বলেছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো উন্নয়নতো হতে দেখিনি।

কয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউল ইস’লাম স্বপন বলেন, আবরার ফাহাদ আমাদের আত্মীয়। আমি মাঝে মাঝে তাদের পরিবারের খোঁজখবর নেই। তবে ম’সজিদ ও গোরস্থানের উন্নয়নের ব্যাপারে আমা’র জানা নেই।

কুমা’রখালী-খোকসা (কুষ্টিয়া-৪) আসনের সাংসদ ব্যরিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ জানান, আবরারের বাড়ির সামনের ম’সজিদ ও রায়ডাঙ্গা গোরস্থানের উন্নয়নের কাজ শিগগিরই শুরু হবে। করো’না পরিস্থিতির কারণে বিলম্ব হয়েছে।

তিনি বলেন, সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রকল্প দুইটির জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে এলজিইডির কাছে তালিকা পাঠানো হয়েছে।

অর্থ ছাড় হলেই কাজ শুরু হবে। আবরারের মৃ’ত্যুবার্ষিকী’তে আগামী শুক্রবার আবরারের গ্রামের বাড়ির ম’সজিদে এবং বাড়িতে দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। আবরারের বাবা মা’মলার কারণে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

আবরারের মা জানান, আবরারের হ’ত্যাকারীদের উপযু’ক্ত শা’স্তি দেখে যেতে পারলে মনে শান্তি পাব। দুনিয়াতে হ’ত্যাকারীরা শা’স্তি না পেলে আল্লাহ আবরারের হ’ত্যাকারীদের উপযু’ক্ত শা’স্তি পরকালে দেবেন।

আবরারের প্রথম মৃ’ত্যুবার্ষিকী’ আজ
চোখের পানি মুছে বছর পার করলেন আবরারের মা
আ ফ ম নুরুল কাদের কুষ্টিয়া

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের প্রথম মৃ’ত্যুবার্ষিকী’ আজ মঙ্গলবার। গত বছরের ৬ অক্টোবর গভীর রাতে বুয়েট হলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নি’র্মম নি’র্যাতনে নি’হত হন আবরার ফাহাদ।

পরিবারের প্রিয় সন্তানকে অকালে হা’রানোর বেদনা কোনোভাবেই ভুলতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। এখনো শোকের মাতম আবরারের কুষ্টিয়ার বাড়িতে। এক বছরেও কা’ন্না থামেনি আবরারের মা রোকেয়া খাতুনের। বাড়িতে কেউ গেলেই আবরারের স্মৃ’তিচারণ করে কা’ন্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

গতকাল আবরারের মা রোকেয়া খাতুন এক বছরের স্মৃ’তিচারণ করতে গিয়ে ওড়না দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে জানান, আবরারের হ’ত্যা মা’মলার এজহার আমি এখনো পড়িনি।

ওরা কিভাবে আমা’র ছে’লেকে মে’রেছে এসব পড়লে আমি সহ্য করতে পারব না। তবে মন শক্ত করে রেখেছি মা’মলার রায় ঘোষণার পর এজাহারটি পড়ে দেখব, ওরা কত ক’ষ্ট দিয়ে আমা’র সোনার ছে’লেকে মে’রেছে।
তিনি জানান, বুয়েটে চান্স পাওয়ার পর আমি আবরারকে ক্যাম্পাসের হোস্টেলে রাখতে যাই। কিন্তু বুয়েট কর্তৃপক্ষের টানানো তালিকায় আবরার ফাহাদের নাম আসে না।

পরে আমি প্রভোস্টের সাথে দেখা করি। আরেকটি তালিকা টানানো হবে বলে তিনি আমাকে অ’পেক্ষা করতে বলেন। দ্বিতীয় তালিকায় আবরারের থাকার হোস্টেলের তালিকায় ক্যাম্পাসের ভেতরের ম’সজিদের নাম আসে। তখন প্রভোস্টের সাথে দেখা করলে বলেন, ওদের জন্য ম’সজিদই নিরাপদ। কিন্তু সে সময় আমি প্রভোস্টের সেই কথার ইশারা বুঝতে পারিনি। তখন তার কথার ভাষা বুঝতে পারলে আমি আবরারকে কখনোই বুয়েটে ভর্তি করতাম না।

এ দিকে আবরার ফাহাদের মৃ’ত্যুর এক বছরেও স্থানীয় সংসদ সদস্যের দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি। সে সময় কুমা’রখালী-খোকসা (কুষ্টিয়া-৪) আসনের এমপি ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জের আবরারের রায়ডাঙ্গার বাড়িয়ে গিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসেন।

এর মধ্যে আবরার ফাহাদের বাড়ির সামনে টিন দিয়ে ঘেরা ম’সজিদ পাকাকরণ, আবরারের সমাধিস্থ রায়ডাঙ্গা গোরস্থান উন্নয়ন ও বাড়ির সামনের রাস্তাটি আবরার ফাহাদের নামে নামকরণের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। এক বছর অ’তিবাহিত হলেও এসব প্রতিশ্রুতির কোনোটিই বাস্তবায়ন হয়নি।

আবরারের ৭০ বছরের বৃদ্ধা দাদী হাজেরা খাতুন বলেন, নাতি মা’রা যাওয়ার পর কত মানুষ বাড়িতে আসত। এখন কেউ আসে না।

তিনি বলেন, সে সময় এমপি সাহেব বাড়িতে এসে ম’সজিদ ও গোরস্থান উন্নয়নের কথা বলেছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো উন্নয়নতো হতে দেখিনি।

কয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউল ইস’লাম স্বপন বলেন, আবরার ফাহাদ আমাদের আত্মীয়। আমি মাঝে মাঝে তাদের পরিবারের খোঁজখবর নেই। তবে ম’সজিদ ও গোরস্থানের উন্নয়নের ব্যাপারে আমা’র জানা নেই।

কুমা’রখালী-খোকসা (কুষ্টিয়া-৪) আসনের সাংসদ ব্যরিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ জানান, আবরারের বাড়ির সামনের ম’সজিদ ও রায়ডাঙ্গা গোরস্থানের উন্নয়নের কাজ শিগগিরই শুরু হবে। করো’না পরিস্থিতির কারণে বিলম্ব হয়েছে।

তিনি বলেন, সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রকল্প দুইটির জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে এলজিইডির কাছে তালিকা পাঠানো হয়েছে।

অর্থ ছাড় হলেই কাজ শুরু হবে। আবরারের মৃ’ত্যুবার্ষিকী’তে আগামী শুক্রবার আবরারের গ্রামের বাড়ির ম’সজিদে এবং বাড়িতে দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। আবরারের বাবা মা’মলার কারণে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

আবরারের মা জানান, আবরারের হ’ত্যাকারীদের উপযু’ক্ত শা’স্তি দেখে যেতে পারলে মনে শা;ন্তি পাব’দুনিয়াতে হ’ত্যাকারীরা শা’স্তি না পেলে আল্লাহ আবরারের হ’ত্যাকারীদের উপযু’ক্ত শা’স্তি পরকালে দেবেন।

COMMENTS

[gs-fb-comments]