বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা: উপাচার্যদের নিয়ে বৃহস্পতিবার ইউজিসির বৈঠক

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা: উপাচার্যদের নিয়ে বৃহস্পতিবার ইউজিসির বৈঠক

জলবায়ু : উন্নয়নশীল দেশগুলো যেন বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলার পায়
করো;নায় ঘরে বসে গিনেস রেকর্ডসে নাম লেখালেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তরুণ
রাজধানীতে আজও সারাদিন বৃষ্টির আভাস

করো;নার কারণে, এইচএসসি বাতিল হলেও, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছেই। এবং তাতে শিক্ষার্থীদের সশরীরেই অংশ নিতে হবে। আপাতত এমন পরিকল্পনা ইউজিসির।

এ বিষয়ে আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) উপাচার্যদের নিয়ে বৈঠকে বসবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-ইউজিসি। এদিকে গত বছর রাজি না থাকলেও, এবার করোনার কারণে, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষাকে সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ কৌশল মনে করছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

এইচএসসির ফলাফল কোন পদ্ধতিতে হবে, সে সিদ্ধান্ত এসে গেছে। এখন দুশ্চিন্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পদ্ধতি নিয়ে। পরীক্ষা হবে কিনা, হলেও কোন প্রক্রিয়ায় হবে সে প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের মনে।

আপাতত এসব প্রশ্নের উত্তর নেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছেও। তবে শিগগিরই ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার চেষ্টা করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বলেন,‘ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন কমিটির ফোরামে আলোচানর পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।’

ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্ট্রগাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং বুয়েট আগে থেকেই গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় রাজি ছিলো না।

তাই এই পাঁচটিকে বাদ দিয়ে ৩৪টির জন্য কেন্দ্রীয় পদ্ধতি চালু করার উদ্যোগ নিয়েছিলো ইউজিসি। করোনার কারণে আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।আর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ভাবছে ভিন্ন কথা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য ড. এম আবদুস সোবহান গণমাধ্যমকে জানান, ‘যদি করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হয়। ভর্তি পরীক্ষা যদি নিতে হয়, নেয়া তো লাগবেই; সে ক্ষেত্রে গুচ্ছপদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেবার বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন আপত্তি নেই।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মোট ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে ম্যানেজ করে সারাদেশে একটা পরীক্ষা পদ্ধতির বিষয়টিকে নতুন করে ভাবতে হবে।’

ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েই রেখেছে ইউজিসি। তবে পরীক্ষার প্রক্রিয়া কি হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। এ প্রসঙ্গে ইউসিজ সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজ বেগম বলেন, ‘বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে অনলাইন পরীক্ষা নেয়া যাবে না। এখন পরীক্ষা কিভাবে নিব সেটা নিয়ে ১৫ তারিখে ডিসিশন মিটিং আছে, সেখানে আমার আলোচনা করবো।’

অন্যদিকে জেএসসি ও এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে তৈরি করা এইচএসসির সনদ বিদেশেও গ্রহণযোগ্য হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক কমিটি। তাই দেশের বাইরে স্নাতক করতে চাওয়া শিক্ষার্থীদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হবে না।

COMMENTS

[gs-fb-comments]