স্কুল শিক্ষিকাকে ধ’র্ষ’ণ, ছাত্রলীগ সভাপতি ব’হি’ষ্কার

স্কুল শিক্ষিকাকে ধ’র্ষ’ণ, ছাত্রলীগ সভাপতি ব’হি’ষ্কার

শি’শু গৃহকর্মীকে বাসে ৩০০ কিমি পথ দাঁড় করিয়ে রাখার অ’ভিযোগ জাবি অধ্যাপিকার বি’রুদ্ধে
আজ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করবে টিসিবি
ইতিহাসে রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশের আলুর

এদিকে রনিকে অব্যাহতি দেয়ার পর রংপুর জে’লা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি সুমন সরকারকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর রংপুর মেট্রোপলিটন পু’লিশের কোতোয়ালি থা’নায় ওই স্কুল শিক্ষিকা ছাত্রলীগ নেতা রনির বি’রুদ্ধে মা’মলা দা’য়ের করেন।

মা’মলার এজাহারে জানা যায়, রংপুর নগরীর কেরানীপাড়া মহল্লার তরুণী একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। ২০১৭ সালে রংপুর জে’লা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান সিদ্দিকী রনির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। রনির বাড়ি রংপুরের পী’রগঞ্জ উপজে’লার বাজিতপুর ফতেহপুর গ্রামে।

তার বাবার নাম আবু বক্কর। পরিচয়ের পর থেকে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। স্কুল শিক্ষিকা জানায়, রনি

তাকে বিয়ে করার প্র’লোভন দেখিয়ে ঢাকা, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধ*ণ করে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় কাজের কথা বলে ১৮ লাখ টাকা নিয়েছে বলে তিনি অ’ভিযোগ করেন।

এরপরও বিয়ে করার কথা বললে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেন। পরে তার বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের চা’পে ২০১৯ সালের ১৮ এপ্রিল মেয়েটিকে নীলফামারীতে বিয়ে করার জন্য নিয়ে যায়। সেখানে নীলফামারী জে’লা ছাত্রলীগের সভাপতি সজল কুমারের বাসায় নিয়ে গিয়ে ভু’য়া কাজী এনে আমাকে বিয়ে করেন। এরপর ওই রাতে তাদের বাসর হয়।

স্কুল শিক্ষিকার অ’ভিযোগ, বিয়ের পর তাকে রনির বাবার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য বললে নানান টালবাহানা করে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। এর মধ্যে রনি ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে ৬ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করায় আর ছাত্রলীগ করা হয়তো সম্ভব হবে না।

সে কারণে জে’লা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে ২০ লাখ টাকার দরকার। সেই টাকা তাকে জোগাড় করে দেয়ার জন্য চা’প দিলে টাকা দিতে অ’স্বীকার করলে আমাকে বিভিন্নভাবে হু’মকি-ধ’মকি প্রদান করে।

এদিকে স্কুল শিক্ষিকা রনিকে বিয়ে করার জন্য আবার চা’প সৃ’ষ্টি করলে চলতি বছরের ৫ জুন তাদের কেরানীপাড়ার বাসায় আসে। সেখানে রাত্রিযাপন করে এবং তাকে ধ*ণ করে। কথা দেয় তাকে স্ত্রীর অধিকার ফিরিয়ে দেবে, বাসায় নিয়ে যাবে। কিন্তু বিভিন্ন টালবাহানা করে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে।

তিনি অ’ভিযোগ করেন, উল্টো রনি তাকে সরে যাবার জন্য বিভিন্নভাবে চা’প সৃ’ষ্টি করতে থাকে। সে হু’মকি প্রদান করে তার হাত অনেক লম্বা প্রশা’সন তার কথামতো চলে। এ ধরনের নানান হু’মকি-ধ’মকি দিতে থাকে।

গত ১২ জুলাই রংপুর নগরীর গণেশপুর ক্লাব মোড় এলাকায় রনির ফুফুর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বলে তার সঙ্গে কোনো বিয়ে হয়নি রেজিস্ট্রি হয়নি, কোনো কা’বিননামাও সম্পাদিত হয়নি। এরপর তার সহযোগীদের দিয়ে তাকে তার ফুফুর বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

পুরো বিষয়টি লিখিত আকারে আবেদন নিয়ে পু’লিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করলে তাকে থা’নায় অ’ভিযোগ করতে বলা হয়। বা’ধ্য হয়ে থা’নায় হাজির হয়ে লিখিত এজাহার দা’য়ের করেন বলে জানান তিনি।

ছাত্রলীগের জে’লা সভাপতি হিসেবে ক্ষ’মতার দা’পট দেখিয়ে বিয়ে করার মি’থ্যা প্র’লোভনে দিনের পর দিন ধ*ণ করার বি’চার দা’বি করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৮ ডিসেম্বর রংপুর জে’লা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে মেহেদী হাসান রনিকে

সভাপতি, রাকিবুল হাসান কাননকে সাধারণ সম্পাদক করে জে’লা ছাত্রলীগের এক বছর মেয়াদি কমিটি গঠন করা হলেও অ’বৈধভাবে ৬ বছর ধরে রনি জে’লা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বলে ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অ’ভিযোগ করেন।এদিকে রনিকে অব্যাহতি দেয়ার পর রংপুর জে’লা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি সুমন সরকারকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর রংপুর মেট্রোপলিটন পু’লিশের কোতোয়ালি থা’নায় ওই স্কুল শিক্ষিকা ছাত্রলীগ নেতা রনির বি’রুদ্ধে মা’মলা দা’য়ের করেন।

মা’মলার এজাহারে জানা যায়, রংপুর নগরীর কেরানীপাড়া মহল্লার তরুণী একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। ২০১৭ সালে রংপুর জে’লা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান সিদ্দিকী রনির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। রনির বাড়ি রংপুরের পী’রগঞ্জ উপজে’লার বাজিতপুর ফতেহপুর গ্রামে।

তার বাবার নাম আবু বক্কর। পরিচয়ের পর থেকে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। স্কুল শিক্ষিকা জানায়, রনি

তাকে বিয়ে করার প্র’লোভন দেখিয়ে ঢাকা, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধ*ণ করে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় কাজের কথা বলে ১৮ লাখ টাকা নিয়েছে বলে তিনি অ’ভিযোগ করেন।

এরপরও বিয়ে করার কথা বললে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেন। পরে তার বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের চা’পে ২০১৯ সালের ১৮ এপ্রিল মেয়েটিকে নীলফামারীতে বিয়ে করার জন্য নিয়ে যায়। সেখানে নীলফামারী জে’লা ছাত্রলীগের সভাপতি সজল কুমারের বাসায় নিয়ে গিয়ে ভু’য়া কাজী এনে আমাকে বিয়ে করেন। এরপর ওই রাতে তাদের বাসর হয়।

স্কুল শিক্ষিকার অ’ভিযোগ, বিয়ের পর তাকে রনির বাবার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য বললে নানান টালবাহানা করে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। এর মধ্যে রনি ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে ৬ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করায় আর ছাত্রলীগ করা হয়তো সম্ভব হবে না।

সে কারণে জে’লা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে ২০ লাখ টাকার দরকার। সেই টাকা তাকে জোগাড় করে দেয়ার জন্য চা’প দিলে টাকা দিতে অ’স্বীকার করলে আমাকে বিভিন্নভাবে হু’মকি-ধ’মকি প্রদান করে।

এদিকে স্কুল শিক্ষিকা রনিকে বিয়ে করার জন্য আবার চা’প সৃ’ষ্টি করলে চলতি বছরের ৫ জুন তাদের কেরানীপাড়ার বাসায় আসে। সেখানে রাত্রিযাপন করে এবং তাকে ধ*ণ করে। কথা দেয় তাকে স্ত্রীর অধিকার ফিরিয়ে দেবে, বাসায় নিয়ে যাবে। কিন্তু বিভিন্ন টালবাহানা করে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে।

তিনি অ’ভিযোগ করেন, উল্টো রনি তাকে সরে যাবার জন্য বিভিন্নভাবে চা’প সৃ’ষ্টি করতে থাকে। সে হু’মকি প্রদান করে তার হাত অনেক লম্বা প্রশা’সন তার কথামতো চলে। এ ধরনের নানান হু’মকি-ধ’মকি দিতে থাকে।

গত ১২ জুলাই রংপুর নগরীর গণেশপুর ক্লাব মোড় এলাকায় রনির ফুফুর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বলে তার সঙ্গে কোনো বিয়ে হয়নি রেজিস্ট্রি হয়নি, কোনো কা’বিননামাও সম্পাদিত হয়নি। এরপর তার সহযোগীদের দিয়ে তাকে তার ফুফুর বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

পুরো বিষয়টি লিখিত আকারে আবেদন নিয়ে পু’লিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করলে তাকে থা’নায় অ’ভিযোগ করতে বলা হয়। বা’ধ্য হয়ে থা’নায় হাজির হয়ে লিখিত এজাহার দা’য়ের করেন বলে জানান তিনি।

ছাত্রলীগের জে’লা সভাপতি হিসেবে ক্ষ’মতার দা’পট দেখিয়ে বিয়ে করার মি’থ্যা প্র’লোভনে দিনের পর দিন ধ*ণ করার বি’চার দা’বি করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৮ ডিসেম্বর রংপুর জে’লা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে মেহেদী হাসান রনিকে

সভাপতি, রাকিবুল হাসান কাননকে সাধারণ সম্পাদক করে জে’লা ছাত্রলীগের এক বছর মেয়াদি কমিটি গঠন করা হলেও অ’বৈধভাবে ৬ বছর ধরে রনি জে’লা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বলে ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অ’ভিযোগ করেন।

COMMENTS

[gs-fb-comments]