এসআই আকবরের আলিশান বাড়ি ও অঢেল সম্পদ

এসআই আকবরের আলিশান বাড়ি ও অঢেল সম্পদ

এমপি নিক্সন চৌধুরীর জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করবে রাষ্ট্রপক্ষ
মধ্যপ্রাচ্যে ফরাসি পণ্য বয়’কটের ডাক ইসলামপন্থী নে’তাদের
হ্যাকারদের ভয়ে ফ্রান্সে সতর্কতা জারি : বাংলাদেশি

সিলেট মহানগর পুলিশের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশি নি;র্যা;ত;নে রায়হান উদ্দিনের মৃ;ত্যু;র ঘটনার পর এবার আলোচনায় ওই ফাঁ;ড়ির বর;খাস্ত হওয়া উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেনের আলিশান বাড়ি।

ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে আকবরের আ;লি;শা;ন বাড়ির ছবি। এসআইয়ের মতো ছোট পদে চাকরি করে কিভাবে ওই বাড়ি তৈরি করলেন- সেটি নিয়ে সবাই প্রশ্ন তুলছেন।

পুলিশ কর্মকর্তা আকবরের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার বগৈর গ্রামে। বাবা জাফর আলী ভূঁইয়া স্থানীয় একটি স্কুলের শি;ক্ষ;ক ছিলেন। এক ছাত্রী;কে ধ;র্ষ;ণে;র অ;ভি;যো;গে দায়ের হওয়া মা;ম;লা;য় আসামি হন জাফর। এরপর স্কুল থেকে

চাকরিচ্যুত হন তিনি। মামলায় জড়ানোর পর সহায়-সম্পদ যা ছিল-তা সবই খুইয়েছেন জাফর আলী।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০০৩ সালে আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং ২০০৫ সালে উপজেলার ফিরোজ মিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন আকবর।

২০০৭ সালে পুলিশের কনস্টেবল পদে চকরি নেন তিনি। কয়েক বছর চাকরি করার পর উপপরিদর্শক (এসআই) পদে

চাকরির জন্য পরীক্ষা দেন আকবর। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এসআই পদে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই পাল্টে যেতে থাকে আকবর ও তার পরিবারের ভাগ্য।

পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে দ্বিতীয় আকবর। পুলিশে চাকরি পাওয়ার পর নিজ গ্রামে বাড়ি ও জায়গা-জমিসহ অঢেল সম্পদ গড়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পুরোনো ঘর ভেঙে নির্মাণ করা হয়েছে আলিশান বাড়ি।

ইতোমধ্যে বাড়ির প্রথম তলার কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে আধুনিক ফটক তৈরির কাজ। পুলিশে চাকরির বদৌলতে বাবার খোয়ানো সব সম্পদ যেন ফিরে এসেছেন আকবরের হাত ধরে।তবে সিলেট মহানগর পুলিশের বন্দরবাজার ফাঁ;ড়িতে পুলিশি নির্যাতনে রায়হান উদ্দিনের মৃ;ত্যু;র ঘটনায় এখন নিজ গ্রামেও আলোচনার কেন্দ্রবি;ন্দুতে রয়েছেন আকবর।

কীভাবে আলিশান বাড়িসহ এত সম্পদের মালিক হয়েছেন সেই আলোচনা এখন গ্রামের সবার মুখে। অনেকে পুলিশ কর্মকর্তা আকবর ও তার পরিবারের অঢেল সম্পদের উৎস অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন।

বগৈর গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, পুলিশে চাকরি হওয়ার পরই অবৈধভাবে টাকা উপার্জন করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন আকবর। তিনি যে ঘটনা ঘটিয়েছেন সেটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক এবং আশুগঞ্জের মানুষের জন্য ক;ল;ঙ্ক।

তাই আশুগঞ্জকে কলঙ্কমুক্ত করার জন্য বন্দরবাজার ফাঁড়ির ঘটনা সঠিকভাবে তদন্ত করে আকবরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে পুলিশ কর্মকর্তা আকবরের ছোট ভাই আরিফ ভূঁইয়া বলেন, আমরা বিশ্বাস করি আমার ভাই এ ধরনের কাজ করতে পারে না। আমরাও চাই ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত হোক। আমার বিশ্বাস, ভাই টাকার জন্য কাউকে মারতে পারে না।

আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হানিফ মুন্সি বলেন, আকবর যে ঘটনা ঘটিয়েছেন- সেটি পুরো আশুগঞ্জের জন্য লজ্জার। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আকবর যদি দোষী প্রমাণিত হন তাহলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার দাবি জানাই।

১১ অক্টোবর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁ;ড়িতে পুলি;শ হে;ফাজতে রায়হান উদ্দিন নামে এক যুবকের মৃ;ত্যু হয়। তিনি সিলেট নগরের আখালিয়া নেহারিপাড়া এলা;কার মৃ;ত হাবিবুর রহমানের ছেলে।

রায়হান উদ্দি;নের প;রিবারের অ;ভি;যো;গ, রায়হানকে ধরে এনে টাকার জন্য নি;র্যাত;ন করে হ;ত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বন্দ;রবাজার ফাঁ;ড়ির ইনচার্জ আকবরকে সাময়িক ব;রখা;স্ত করা হয়। এরপর থে;কে;ই আকবর প;লাত;ক রয়েছেন।

COMMENTS

[gs-fb-comments]