এবার রাজশাহীতে পাওয়া গেল অতি ক্ষুদ্র কোরআন শরীফ!

এবার রাজশাহীতে পাওয়া গেল অতি ক্ষুদ্র কোরআন শরীফ!

সকলের জন্য খুলে দেওয়া হলো মক্কা
সূর্যগ্রহণের সময় রাসূল (সা.) যা করতে বলেছেন
গবেষণার জন্য মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন আজহারী

বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে শান্তির ধর্ম হল ইসলাম। আর ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভের মধ্যে কোরান শরীফ একটি। সম্পতি দেশে দেখা মিলছে অতি ক্ষুদ্র কোরআন শরীফের।

রাজশাহীতে সন্ধান মিলেছে ক্ষুদ্র একটি কোরআন শরীফের। কোরআন শরীফটি লম্বায় দৈর্ঘ্য ৩ সেন্টিমিটার, প্রস্থ ২ সেন্টিমিটার, উচ্চতা ২ সেন্টিমিটার। এমন একটি কপি আছে রাজশাহী নগরীর বাসিন্দা খন্দকার হাসান কবিরের কাছে। তিনি ১৯৯২ সালে তার বাবা খন্দাকার মফিজুর রহমানের থেকে পেয়েছিলেন।

খন্দকার হাসান কবির জানান, এটি ৩০ পারার একটি কোরআন শরীফ। বংশ পরম্পরায় সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। এটি

খালি বা চশমা চোখে দিয়ে পড়া সম্ভব না। আতশিকাচের নিচে রেখে পড়তে হয়। এমন ছোট আকারের কোনআন শরীফ আগে তিনি দেখেননি।

তিনি আরও জানান, সর্ব প্রথম বাবার কাছেই দেখেছেন কোরআন শরীফটি। স্বজনরাও দেখেন, অনেক মুরব্বিও দেখে অবাক হয়েছেন। তার বাবা মা;রা গেছেন ৭৪ বছর বয়সে। বাবা মা;রা যাওয়ার ২৫ বছর হয়েছে।

কোরআনটি বহু পুরানো জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোরআন শরীফটি সম্পর্কে আমার কাছে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য নেই। বাড়িতে অন্য কাগজপত্র খুঁজতে গিয়ে মঙ্গলবার এটির খোঁজ পেয়েছি।’

বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের সাবেক পরিচালক মো. জাকারিয়া জানান, এটি বহু পুরানো, সে বিষয়ে নিশ্চিত। তবে দেশের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষুদ্র কি না-সে বিষয়ে অনুসন্ধান প্রয়োজন আছে।সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিনবিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে শান্তির ধর্ম হল ইসলাম। আর ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভের মধ্যে কোরান শরীফ একটি। সম্পতি দেশে দেখা মিলছে অতি ক্ষুদ্র কোরআন শরীফের।

রাজশাহীতে সন্ধান মিলেছে ক্ষুদ্র একটি কোরআন শরীফের। কোরআন শরীফটি লম্বায় দৈর্ঘ্য ৩ সেন্টিমিটার, প্রস্থ ২ সেন্টিমিটার, উচ্চতা ২ সেন্টিমিটার। এমন একটি কপি আছে রাজশাহী নগরীর বাসিন্দা খন্দকার হাসান কবিরের কাছে। তিনি ১৯৯২ সালে তার বাবা খন্দাকার মফিজুর রহমানের থেকে পেয়েছিলেন।

খন্দকার হাসান কবির জানান, এটি ৩০ পারার একটি কোরআন শরীফ। বংশ পরম্পরায় সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। এটি

খালি বা চশমা চোখে দিয়ে পড়া সম্ভব না। আতশিকাচের নিচে রেখে পড়তে হয়। এমন ছোট আকারের কোনআন শরীফ আগে তিনি দেখেননি।

তিনি আরও জানান, সর্ব প্রথম বাবার কাছেই দেখেছেন কোরআন শরীফটি। স্বজনরাও দেখেন, অনেক মুরব্বিও দেখে অবাক হয়েছেন। তার বাবা মা;রা গেছেন ৭৪ বছর বয়সে। বাবা মা;রা যাওয়ার ২৫ বছর হয়েছে।

কোরআনটি বহু পুরানো জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোরআন শরীফটি সম্পর্কে আমার কাছে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য নেই। বাড়িতে অন্য কাগজপত্র খুঁজতে গিয়ে মঙ্গলবার এটির খোঁজ পেয়েছি।’

বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের সাবেক পরিচালক মো. জাকারিয়া জানান, এটি বহু পুরানো, সে বিষয়ে নিশ্চিত। তবে দেশের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষুদ্র কি না-সে বিষয়ে অনুসন্ধান প্রয়োজন আছে।সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

COMMENTS

[gs-fb-comments]