সাংকেতিক নামে মাদক চ্যাটের কথা স্বীকার দীপিকার

সাংকেতিক নামে মাদক চ্যাটের কথা স্বীকার দীপিকার

এবার বেতার অনুষ্ঠানে অপু বিশ্বাস
অ’শা’লীন পোশাক দেখে বখা’টে’রা ধ’র্ষ’ণে উৎসাহিত হয়: অনন্ত জলিল
ঢালিউডে নতুন জুটি রোশান-রাহা

হোয়াটসঅ্যাপে ম্যানেজার করিশ্মা প্রকাশের সঙ্গে বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের মাদক প্রসঙ্গে মেসেজ চালাচালির যে অভিযোগ উঠেছিল তা ভুয়া নয়। হোয়াটসঅ্যাপের সেই গ্রুপে মাদক নিয়ে ‘ডি’ এবং ‘কে’-র যে কথোপকথন হয়েছিল তা প্রকৃতপক্ষে দীপিকা (ডি) এবং কারিশ্মারই (কে) চ্যাট।

ভারতের নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) কাছে মাদক নিয়ে জেরার মুখে এ কথা স্বীকার করেন দীপিকা পাড়ুকোন। একই সঙ্গে দীপিকা দাবি করেছন, মেসেজে মাদক নিয়ে আলোচনা করলেও, তিনি নিজে মাদক নেন না। কোনো দিন নেননি।

শনিবার সকাল পৌনে দশটা মুম্বাইয়ের কোলাবা অ্যাপালো বন্দরের এভলিন গেস্ট হাউসে এসআইটি-র দপ্তরে মাদককাণ্ডে জিজ্ঞাসবাদের জন্য পৌঁছন দীপিকা। এর কিছুক্ষণ পরেই সেখানে ঢুকতে দেখা যায় সুশান্তের ম্যানেজার করিশ্মা প্রকাশকে। গতকালও কারিশ্মাকে জেরা করেছিল এনসিবি। আজ দীপিকা এবং তার ম্যানেজার কারিশ্মাকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা চলে।

মাদককাণ্ডে দীপিকার নাম জড়িয়ে যাওয়ার নেপথ্যে মূলত বছর তিনেক আগের এক হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট। গত সোমবার এনসিবির হাতে আসে ওই চ্যাট। তাতে দেখা গিয়েছিল, ‘ডি’ এবং ‘কে’ নামে দুই ব্যক্তির মধ্যে মাদক নিয়ে বেশ কিছু কথাবার্তা হয়েছে। কখনও ‘ডি’, ‘কে’র কাছে হ্যাশ চেয়েছে আবার কখনও বা ‘কে’ তাঁকে হ্যাশের জোগানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বলিউডের একাংশ দাবি করেছিলেন ওই ‘ডি’ এবং ‘কে’ যথাক্রমে দীপিকা কারিশ্মা।

ঘটনা আরও জটিল হয়ে যায়, যখন এনসিবি’র বারেবারে জিজ্ঞাসবাদের ফলে সুশান্তের প্রাক্তন ট্যালেন্ট ম্যানেজার জয়া সাহা কার্যত এনসিবি’র কাছে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কথা স্বীকার করে নেন। জয়ার কথার সূত্র ধরে জানা যায়— কারিশ্মা, জয়া এবং দীপিকা, এই তিনজনের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছিল। জয়াই খুলেছিলেন গ্রুপটি। অ্যাডমিন ছিলেন দীপিকা এবং সদস্য ছিলেন কারিশ্মা। ‘ফাঁস’ হওয়া সেই চ্যাট আদপে ওই গ্রুপেরই।

এ দিন দীপিকাও জেরায় সে কথা স্বীকার করে নিয়েছেন বলেই এনসিবি সূত্রে খবর। প্রশ্ন, তিন বছর আগের এক চ্যাটের ভিত্তিতে ঠিক কতটা খেসারত দিতে হবে বলিউডের এই ‘এ লিস্টার’কে?

শনিবার সকালে একেবারে সাদামাটা পোশাকেই এনসিবি-র দফতরে পৌঁছন দীপিকা। তারকা সুলভ কোনও কিছুই দেখা যায়নি তার অভিব্যক্তিতে। কালো চশমায় চোখও ঢেকে রাখেননি। করোনাকালে সতর্কবিধি মেনে মুখ ঢাকা ছিল মাস্কে। এমনকি এ দিন যে গাড়িতে চেপে তিনি এনসিবি-র দফতরে পৌঁছন, তা-ও ছিল যথেষ্ট সাদামাটা। কোটি কোটি টাকার একাধিক বিলাসবহুল গাড়ির মালিক হলেও, এ দিন ‘হুন্ডাই’-এর একটি সাধারণ এসইউভি মডেলকেই বেছে নেন দীপিকা। সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর মতো তথাকথিত ’ফ্লপ’ নায়িকার দামি ও বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার নিয়ে এর আগে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। গাড়ির ব্যবহারে মানুষের ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠে, তা বিলক্ষণ জানতেন দীপিকা। তাই যে গাড়িতে চেপে এনসিবির দফতরে যাবেন, তা নিয়ে বাড়তি আলোচনা চাননি বলেই তিনি সাধারণ গাড়ি বেছে নেন বলে মনে করা হচ্ছে।

দীপিকা -কারিশ্মার পাশাপাশি মাদক যোগে আজ সারা আলি খান এবং শ্রদ্ধা কপূরকেও জেরা করছে এনসিবি।

COMMENTS

[gs-fb-comments]