চীনে বিমানকর্মীদের টয়লেটে যেতে মানা, পরতে হবে ডায়াপার

চীনে বিমানকর্মীদের টয়লেটে যেতে মানা, পরতে হবে ডায়াপার

সংযুক্ত আরব আমিরাতের টিকিট সংকটে প্রবাসীরা
‘জো আমরা পেরেছি, তুমিই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট’, বাইডেনকে প্রথম ফোন কমলার
একদিনে করোনায় আক্রান্ত প্রায় আড়াই লাখ, মৃত ৩৮৯১

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ গন্তব্যে চলাচলকারী বিমানের কর্মীদের (কেবিন ক্রু) ডায়াপার পরার নির্দেশনা জারি করেছে চীন। এছাড়া তাদের বিমানের টয়লেট ব্যবহার না করার নির্দেশনাও দিয়েছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।

করোনা সংক্রমণ রোধে তারা ৩৮ পাতার বিস্তর নির্দেশনা জারি করেছে বলে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, যেসব দেশ বা অঞ্চলে প্রতি ১০ লাখে ৫০০ জনের বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এমন রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বিমানের কর্মীদের এসব নির্দেশনা মানতে হবে। অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক উভয় রুটের ক্ষেত্রেই এই নির্দেশনা প্রযোজ্য। ডায়াপার পরা, টয়লেটে যাওয়া বারণ ছাড়াও আরো বেশকিছু নির্দেশনা মানতে হবে কর্মীদের।

এরমধ্যে রয়েছে কেবিন ক্রুদের সুরক্ষামূলক মাস্ক, দ্বিস্তর বিশিষ্ট ডিসপোসঅ্যাবল (ফেলনা উপযোগী) রাবারের গ্লাভস, চশমা, ক্যাপ, সুরক্ষামূলক পোশাক, জুতার ঢাকনা পরতে হবে।

তবে বিমানের পাইলট ও সহকারী পাইলটকে (ফ্লাইট ক্রু) ডায়াপার পরতে হবে না। তাদের শুধু মাস্ক ও চশমা পরতে হবে।

এছাড়াও বিমানের কেবিনকে পর্দা দিয়ে কয়েকটি জোনে (স্থান) ভাগ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে ‘‘পরিষ্কার স্থান, নিরাপদ স্থান, যাত্রীদের বসার স্থান এবং কোয়ারেন্টিন স্থান।’’ আর বিমানের শেষ তিন সারি হবে জরুরি কোয়ারেন্টিন স্থান।

গত বছর চীনের উহান থেকে করোনভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। বিমান চলাচলের ক্ষেত্রেও তারাই প্রথম ধাক্কা খায়।

তবে তোরা দ্রুতই এই ধাক্কা সামলে ওঠে। কিন্তু ইউরোপ, আমেরিকাসহ অন্যান্য অঞ্চল এখনো স্বাভাবিক করতে পারেনি বিমান চলাচল।

COMMENTS

[gs-fb-comments]