সু চি কোথায়?

সু চি কোথায়?

চীনের তেল আমদানির পথে সেনা মোতায়েন করল ভারত
পাকিস্থানে নি’ষিদ্ধ করা হলো যৌতুক
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ২৪ লাখ ১৮ হাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- মিয়ানমারে সে’না অ;ভ্যুত্থা;নের ২৪ ঘণ্টা পার হলেও দেশটির নির্বাচিত নেত্রী অং সান সু চি কোথায় আছেন তা জানা যায়নি। একই সঙ্গে জানা যায়নি তার সঙ্গে বন্দি হওয়া সরকারের অপর মন্ত্রীদের অবস্থানও।

তবে সোমবার দেশটির ২৪ জন মন্ত্রীকে বরখাস্ত করেছে সামরিক সরকার এবং সে’না কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে ১‌১ জন মন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এখবর জানিয়েছে।

সু চি ও তার দলের নেতাদের খোঁজ না মেলায় এক ধরনের উদ্বেগ জন্মেছে দেশটির সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে। এদিকে মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে হুম’কি মিলেছে। দেশটির নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিয়ানমারে সামরিক অ;ভ্যুত্থা;নের ঘটনায় দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুম’কি দিয়েছেন।

একইসঙ্গে সে’নাবাহি’নীর ক্ষ’মতা দখ’ল এবং দেশটির ক্ষম’তাসীন দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডে’মো’ক্রেসির (এনএল’ডি) প্রধান অং সান সু চিকে আ’টক করার বিষয়টি ‘গণতন্ত্র ও আইনের শাসনে দেশের উত্তরণে প্রত্যক্ষ আক্রমণ’ বলে নিন্দা করেছেন বাইডেন।

বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, দখ’লকৃ’ত ক্ষ’মতা ছেড়ে দিতে এবং দেশটির নেতাকর্মী ও আট’ককৃত কর্মকর্তাদের মুক্তি দিতে মিয়ানমারের সে’নাবাহি’নীর ওপর চাপ দিতে হবে। এর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

মিয়ানমারে গত কয়েকদিন ধরেই সে’না অ;ভ্যু;ত্থা;নের হু’মকি বা আশঙ্কা নিয়ে জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। সোমবার সেই গুঞ্জনই সত্যি হয়েছে। ক্ষম’তাসীন দল এনডিএল-র নেত্রী অং সান সু চি এবং প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টকে আট’কের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের ক্ষম’তার দখ’ল নিয়েছে দেশটির সে’নাবা’হিনী।

ঠিক এক দশক আগে ২০১১ সালে দীর্ঘ সে’নাশাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশটিতে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, এ ঘটনায় তা আবারও মুখ থুবড়ে পড়ল।

বেসামরিক সরকারের কাছে ক্ষ’মতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরুর পর ২০১৫ সালে মিয়ানমারে প্রথম জাতীয় নির্বাচন হয় এবং বড় জয় নিয়ে ক্ষম’তায় আসে সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডে’মোক্র্যাসি (এনএ’লডি)। মেয়াদের পাঁচ বছরে সাংবিধানিকভাবে শক্তিশালী সে’নাবাহি’নীর সঙ্গে ক্ষম’তা ভাগাভাগি করেই এনএ’লডি দেশ পরিচালনা করেছে।

কিন্তু গোল বাধে ২০২০ সালের ৮ নভেম্বর জাতীয় নির্বাচনের ভোট ঘিরে। ওই নির্বাচনে আরও বড় জয় নিয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে মিয়ানমারের ক্ষম’তায় আসে সু চির দল এনএ’লডি।

সেনা সমর্থিত বিরো’ধী দল থেকে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে ভোটের ফল অস্বীকার করে নতুন নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানানো হয়। এ নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চাপা উত্তেজনা ছিল। সোমবার নতুন সরকারের পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন বসার কথা ছিল। কিন্তু এদিন ভোরেই সু চি এবং প্রেসিডেন্ট মিন্টকে আট’ক করে ক্ষ’মতা দখল’ করে সেনা’বাহি’নী। এরপর দেশজুড়ে ঘোষণা করে এক বছরের জরুরি অবস্থা।

COMMENTS

[gs-fb-comments]