মোদি সফরে বড় শোডাউন ক’রতে চায় বিএনপি-জামায়াত

মোদি সফরে বড় শোডাউন ক’রতে চায় বিএনপি-জামায়াত

করোনায় প্রাণহানি সাড়ে ৭ লাখ ছাড়াল, আক্রান্ত ২ কোটি ১০ লাখ
করোনা বাড়তে থাকায় সিউলের স্কুল-কিন্ডারগার্টেন ফের বন্ধ
করোনায় প্রাণহানি সাড়ে ৯ লাখ ছাড়াল, নতুন আক্রান্ত ৩ লাখ পার

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী ২৬শে মা’র্চ বাংলাদেশ সফরে আ’সছেন। নানা দিক থেকে এ সফর অত্যন্ত গু’রুত্ব পূর্ণ। বিশেষ করে করো’না র ভ্যাকসিন নিয়ে ভারত যে সৌহার্দের কূটনীতি শুরু করেছে, সেই কূটনীতি নরেন্দ্র মোদীর সফরের মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

একই সাথে বাংলাদেশের সাথে যে অস্বস্তিকর স’স্পর্কগুলো ছিল সেটি মুছে ফেলতে চান নরেন্দ্র মোদী এই সফরের মধ্য দিয়ে। নরেন্দ্র মোদীর এই সফরকেই টার্গেট করেছে বিএনপি জামায়াত জোট।

বিএনপি গত কিছুদিন ধ’রেই আন্দোলনের নতুন ক’র্মসূচি ঘো’ষণা করেছে। যদিও তারা বাইরে থেকে বলছে যে, জিয়ার বীর উত্তম খেতাব বা’তিলের পেক্ষাপটে তারা আন্দোলন করছে। কিন্তু পাশাপাশি তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারচুপির অ’ভিযোগও সামনে নিয়ে এসেছে।

তবে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছেন যে, সামনে বিএনপি আন্দোলন করলেও নেপথ্যে থেকে কলকাঠি নাড়াচ্ছে জামায়াত। জামায়াত মনে করছে যে, এখন থেকে যদি বিএনপি আন্দোলন শুরু ক’রতে পারে, তাহলে মা’র্চে গিয়ে আন্দোলনের একটি অবয়ব তৈরি হবে এবং বিভিন্ন ক’র্মসূচির মাধ্যমে রাজনৈতিক একটি অস্থির প’রিস্থিতি তৈরি করা যাবে।

বিএনপি জানে যে, তাদের সাংগঠনিক ক্ষ’মতা সীমাবদ্ধ এবং সে কারণেই বিভিন্ন সিটি করপোরেশন এলাকায় এলাকায় সমাবেশ ডেকেও সেই সমাবেশ পরবর্তীতে প্রত্যাহার ক’রতে বাধ্য হয়েছে দলীয় অন্তঃকলহ এবং সাংগঠনিক অক্ষ’মতার কারণে।

আর এখানেই জামাত বিএনপিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে কিছুদিন ধ’রেই করো’না এবং অন্যান্য বাস্তবতার কারণে আ’ইন-শৃ’ঙ্খলা র’ক্ষাকারী বা’হিনীর মৌলবাদ এবং জঙ্গিবাদ বিরো’ধী অ’ভিযান স্তিমিত হয়ে পড়েছে।

আর এই সুযোগেই জামায়াত তার ব্যা’পক সাংগঠনিক তৎপরতা বিস্তৃত করছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। এই সাংগঠনিক তৎপরতা প্রধান লক্ষ্য হলো সরকারকে অস্থিতিশীল করা। প্রত্যেকটা জে’লায় জে’লায় জামায়াত নতুন করে সঙ্গবদ্ধ হচ্ছে।

পাশাপাশি বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনগুলোকে আবার পুনরায় উজ্জীবিত করার জন্য জামায়াত অর্থ সহায়তাসহ নানা সহযোগিতা করছে। এই সবকিছু মিলিয়ে মা’র্চের দিকে একটি রাজনৈতিক মেরুকরণ সৃষ্টি ক’রতে চাইছে জামায়াত।

একই লক্ষ্য নিয়ে সামনে এসেছে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ ইবরাহিম। তিনি সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কূটনৈতিক এবং সুশীল সমাজে’র স’ঙ্গে নৈশভোজ এবং গেট টুগেদারের আড়ালে রাজনৈতিক মেরুকরণের প্রক্রিয়ার জন্য কাজ করছেন।

এই সরকারের বি’রুদ্ধে একটি ঐক্যব’দ্ধ প্ল্যাটফর্ম গঠনের জন্য চেষ্টা করছেন তিনি। আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে যে, এগুলো বি’চ্ছিন্ন বি’চ্ছিন্ন ঘ’টনা। কিন্তু প্রত্যেকটি ঘ’টনা একই সূত্রে গাঁথা বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তারা প্রধান টার্গেট ক’রেছেন নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে কে’ন্দ্র করে।

বিএনপির একজন নেতা বাংলা ইনসাইডার কে বলেছেন যে, ‘ভারতের আশীর্বাদেই সরকার টিকে আছে।’ কাজেই বিএনপি-জামায়াত নরেন্দ্র মোদিকে একটি জিনিস দেখাতে চান যে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনপ্রিয় নয়। বরং আওয়ামী লীগের চেয়ে বিরো’ধী শ’ক্তি অনেক শ’ক্তিশালী। এজন্যই তারা একটি বড় ধ’রণের শোডাউনের প’রিকল্পনা নিয়েছে।

সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে যে, বিএনপির এই শোডাউনের চেষ্টা নতুন নয়। বিভিন্ন সময় বিএনপি এধ’রণের চেষ্টা করেছে। কিন্তু আন্দোলনের জন্য যে সক্ষ’মতা এবং সাংগঠনিক দক্ষ’তা দরকার সেটি বিএনপির নেই।

তবে বিএনপি না থাকলেও জামায়াত যে ক্রমশ্য সরকারের জন্য একটা ভ’য়ঙ্কর মাথাব্য’থার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে তা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটেই মা’র্চ মাসকে ঘিরে যেন রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি না হয় সেজন্য প্রশা’সন এবং আ’ইন প্রয়োগকারী সংস্থা এখন থেকেই সজাগ হচ্ছে বলে জা’না গেছে।

COMMENTS

[gs-fb-comments]