ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাব: কলকাতায় বিদ্যুৎ ও পানি সংকট

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাব: কলকাতায় বিদ্যুৎ ও পানি সংকট

কুয়েতে স্বাভাবিক হওয়ার পথে জনজীবন
এয়ার আরাবিয়াকে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর ধন্যবাদ
সৌদি যুবরাজ সালমানকে মুজিববর্ষ উদযাপনে আমন্ত্রণ

ঘূর্ণিঝড় আম্পান আছড়ে পড়ার পর দুদিন পার হলেও এখনও শহরের বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে, নিয়মিত পানি সরবরাহও ব্যহত হচ্ছে। ফলে চরম দুর্ভোগে দিন পার করছেন সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে পুরসভার ভূমিকা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন শহরের বহু এলাকার বাসিন্দা। দুর্ভোগ চলতে থাকায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ দেখাতে পথেও নামেন নাগরিকেরা।

নাগরিকদের অভিযোগ, ঘরে বিদ্যুৎ নেই, পানি নেই, গাছ পড়ে আটকে আছে রাস্তা। কাউকে তো ফোনেও পাচ্ছি না। তাই করোনার ভয় উপেক্ষা করেই প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নামতে হয়েছে। ওই বিক্ষোভকারীদের প্রশ্ন, পুর প্রশাসন কেন পরিস্থিতির মোকাবিলায় এত ধীর গতিতে কাজ করছে?

তবে পুর প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্য এবং পার্ক ও উদ্যান দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত দেবাশিস কুমারের দাবি, ‘আমাদের যে পরিকাঠামো রয়েছে, তাতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ছয়-সাত হাজার গাছ সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। তার উপরে অনেক গাছ এত বড় যে, বিদ্যুতের তার সরিয়ে কাটতে অনেক সময় লাগছে।

তিনি জানান, এই ধরনের কাজের জন্য পুরসভার ২০টির মতো ‘গ্যাং’ আছে। করাত, স্বয়ংক্রিয় করাত, মই, ক্রেন— সবই রয়েছে পর্যাপ্ত সংখ্যক। প্রতিটি গ্যাংই কাজে নেমেছে।

অন্যদিকে রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, শহরে প্রচুর গাছ ভেঙে পড়েছে। তাই গাছ কাটার দলের সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে পুরসভাকে।

এর জবাবে পুরসভার পার্ক ও উদ্যান দফতরের এক আধিকারিক বলেন, এই মুহূর্তে লোকবল বাড়ানোর ইচ্ছে থাকলেও উপায় নেই। এই ধরনের কাজে অভিজ্ঞ লোকজন পাওয়া কঠিন। এদের বাইরে থেকে আনা হয়। এখন করোনার সময়ে কেউ আসছেন না।

শহরের একাধিক জায়গায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন অঞ্চলে এখনও গাছ ভেঙে পড়ে আছে। কোথায় বিদ্যুতের ডার ছিঁড়ে পড়ে আছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও কতো সময় লাগবে সাধারণ মানুষের মনে এখনই সেই প্রশ্ন।

COMMENTS

[gs-fb-comments]