বিশ্বনবিকে নিয়ে ব্য’ঙ্গচিত্র প্রকাশে যা বললেন শায়খ সুদাইসি

বিশ্বনবিকে নিয়ে ব্য’ঙ্গচিত্র প্রকাশে যা বললেন শায়খ সুদাইসি

হিজড়াদের জন্য মাদরাসা চালু হচ্ছে ঢাকায়
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ফরিদুল হক
জুমার খুতবা চলাকালীন দানবাক্স চালানো কি জায়েজ?

হজরত মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যঙ্গ;চিত্র প্রকাশ, কটূ;ক্তি ও অপ;মা;নজনক বক্তব্য দেয়াসহ সম্মানহানিকর কার্য;ক্রমকে স;ন্ত্রা;সবাদ বলে আখ্যায়িত করেছেন কাবা শরিফের প্রধান ইমাম ও খতিব শায়খ সুদাইসি।

হারাইমাইন শরিফাইনের দায়িত্বশীল, কাবা শরিফের প্রধান ইমাম ও খতিব শায়খ ড. আব্দুর রহমান আস-সুদাইসি গত জুমআর খুতবায় বলেন, ‘আমরা ১৮০ কোটি মুসলমানের পক্ষ থেকে জানাচ্ছি যে, বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

সাল্লামকে নিয়ে ব্য;ঙ্গ;চিত্র প্রকাশ ও আক্রমণাত্মক কাজ স;ন্ত্রা;সবাদ ছাড়া কিছুই নয়। আমরা আল্লাহর নবি ও রাসুলগণকে নিয়ে যে কোনো ধরনের অবজ্ঞা ও অ;সম্মা;নজনক আ;চর;ণের ক;ঠোর নি;ন্দা; জ্ঞাপন করছি।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতের পথ নির্দেশক, রহমত ও করুণার আধার। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ক;টূ;ক্তি ও অপ;মান;জনক আ;চর;ণ চর;ম ঘৃণিত ও নে;ক্কা;রজন কাজ।

যেখানে মহান আল্লাহ তাআলা প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মর্যাদা উঁচু করেছেন। বিশ্বনবির এ মর্যাদা সুরক্ষিত করবেন। সেখানে তাঁর অবমাননাকর ছবি আঁকা, ব্য;ঙ্গ করা ও আক্রমণাত্মক কা;র্যক্রম চরম স;ন্ত্রা;সবা;দের শামিল। এমন আচরণ চরমপ;ন্থার অংশ। এসব হিংসাত্মক কাজ মানুষকে আরও বেশি ঘৃ;ণা ও গোঁড়ামি;র দিকে ধাবিত করে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর ব্যক্তি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ‘মানুষের ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে উপহাস ও বিদ্রূপ করা এবং যে বিষয়গুলোকে মানুষ পবিত্র বলে মনে করে ও শ্রদ্ধা করে; সেসব নিয়ে হাস্যকর মন্তব্যের

নামে মত প্রকাশের স্বাধীনতা বলা মূলত তা বাকস্বাধীনতা নয়। বরং এই জাতীয় বক্তব্য ও আচ;রণ অনৈ;তি;কতার শামিল। বাকস্বাধীনতার দোহাই দিয়ে এ অশা;লীন মন্তব্য অগ্রহ;ণযোগ্য বলে বিবেচিত।

বাকস্বাধনিতার দোহাই সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অন্যদের ধর্মীয় ও সম্মানের অনুভূতির প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা বজায় রেখে মানবিক মূল্যবোধের বিচারে বাকস্বাধীনতা প্রকাশ করা আবশ্যক। কোনো ব্যক্তির মত প্রকাশ যখন অন্য কারো জন্য আক্রমণ হয়ে যায় কিংবা মানদণ্ডের বাইরে চলে যায়, তখন এটি চরম অনৈতিকতা ও প্রকাশ্যে কাউকে অ;পমা;ন করার মাধ্যম হয়ে ওঠে।

এ ধরনের ঘৃণি;ত ব্যবহার ও আচরণ চরমপন্থীদের সমর্থন দেয়ার শামিল। এসব আচরণ ও বক্তব্য দেয়া ব্যক্তিরাই শালীন ও শান্ত সমাজের মানবিক মূল্য;বোধকে বিদ্বেষপূর্ণ করে এবং ঘোলাটে পরিবেশ সৃষ্টি করে তোলে।

শায়খ সুদাইসি ইসলামের সৌন্দর্য সম্পর্কে বলেন, ‘ইসলামই সব নেতিবাচক বিষয়গুলো থেকে পবিত্র ও মুক্ত। যে কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদের লেবেলযুক্ত হওয়া থেকেও মুক্ত ও পবিত্র। ইসলাম হচ্ছে সহনশীল, শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম। ইসলাম সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা, ধ্বংস, বিদ্রূপ, অবমাননা বা মহান আল্লাহ তায়াআলার প্রেরিত কোনো রাসুলকে প্রত্যাখ্যান করার শিক্ষা দেয় না। কেননা ইসলাম তার সৌন্দর্য ও শান্তির বার্তা দিয়েই বিশ্বব্যাপী বিজয় লাভ করেছে।

COMMENTS

[gs-fb-comments]