বার্সার পর বিরল রেকর্ডটি গড়লো বায়ার্ন

বার্সার পর বিরল রেকর্ডটি গড়লো বায়ার্ন

১৯ বছর বয়সেই বিয়ে করলেন মুজিব উর রহমান
মানের জোড়া গোলে চেলসিকে হারাল লিভারপুল
মৌসুমের প্রথম পরাজয়ে টেবিলের ৯ নম্বরে মেসির বার্সেলোনা

পেপ গার্দিওলার হাত ধরে তৈরি হয়েছিল বার্সেলোনার সেই সোনালি প্রজন্ম। মেসি, ইনিয়েস্তা, জাভি, পিকে, ভালদেসদের সেই স্বপ্নের বার্সেলোনার কথাই বলা হচ্ছে। গার্দিওলার মগজাস্ত্রে অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়েছিল সেই বার্সা। এক পঞ্জিকা বছরে সম্ভাব্য সব ট্রফি (৬টি) জিতে ইতিহাসের খাতায় নাম লিখিয়েছিল পেপের বার্সা।মেসি-ইনিয়েস্তাদের

সেই বিরল রেকর্ড এবার ছুঁয়ে ফেললেন লেওয়ানডস্কি, পাভার্দ, কিমিচদের বায়ার্ন মিউনিখ। বার্সেলোনার পর দ্বিতীয় দল হিসেবে এক বছরে ৬টি ট্রফি জিতে নিল বায়ার্ন। বৃহস্পতিবার রাতে সর্বশেষ তারা জিতলো ক্লাব বিশ্বকাপ।

২০০৯ সালে বার্সেলোনার সেই লিজেন্ডারি দলটি এক বছরে জিতেছিল সব ক’টি শিরোপা। ইতিহাসে সেটাই ছিল প্রথম। কিন্তু এই জায়গায় বার্সাকে একা থাকতে দিল না বায়ার্ন। ১১ বছর পর এসে তারাও জিতলো সম্ভাব্য সব ক’টি তথা ৬টি শিরোপা।

বৃহস্পতিবার রাতে কাতারের দোহায় ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে মেক্সিকান ক্লাব তিগ্রেসকে ১-০ গোলে হারিয়ে ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে বায়ার্ন মিউনিখ।

ফাইনালের আগে দলের সেরা তারকা টমাস মুলারের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ হওয়ার কারণে আসাটা ধাক্কাটা আসে জার্মান ক্লাবটির জন্য। দলের অন্যতম অভিজ্ঞ তারকাকে হারানোর ফলে মানসিকভাবেও ভেঙে পড়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাবটি।

যার প্রভাব দেখা যায় খেলার মাঠে। যে ম্যাচ বায়ার্নের জেতার কথা একতরফাভাবে, সেটাতে কোনোমতে ১-০ গোলে জয় পেল তারা। তাও বেঞ্জামিন পাভার্ডের সেই গোলটিও প্রথমে অফসাইডের জন্য বাতিল হয়। পরে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি গোলটিকে বৈধ বলে ঘোষণা করে।

ক্লাব বিশ্বকাপটি ছিল ২০২০ সালেরই। করোনার কারণে পিছিয়ে ডিসেম্বর থেকে নিয়ে আসা হয় ফেব্রুয়ারিতে। যার অর্থ ২০১৯-২০ মৌসুমে মোট ৬টি ট্রফিই জিতে নিল জার্মান ক্লাবটি। বুন্দেসলিগা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ডিএফবি পোকাল, উয়েফা সুপার কাপ, জার্মান সুপার কাপ এবং সবশেষে ক্লাব বিশ্বকাপ।

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কারণে পাশাপাশি ব্যক্তিগত পুরস্কারগুলিও বায়ার্নের ফুটবলাররাই জিতে নিয়েছে। টুর্নামেন্টের সেরা ফুটবলার হিসেবে সোনার বল জিতেছেন লেওয়ানডস্কি। রুপার বল অবশ্য জিতেছেন তিগ্রেসের তারকা আন্দ্রে পিয়ের জিগন্যাক, ব্রোঞ্জের বল জিতে নিয়েছেন জোশুয়া কিমিচ।

COMMENTS

[gs-fb-comments]