তালিকা থেকে মুক্তি পেল না পাকিস্তান!

তালিকা থেকে মুক্তি পেল না পাকিস্তান!

অবশেষে বাইডেনকে শুভেচ্ছা জানালেন এরদোয়ান
বিশ্বে সবচেয়ে সুখে রয়েছেন ভারতীয় মুসলিমরা : আরএসএস প্রধান
এন্ট্রি পারমিটের’ দাবিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে কাতারপ্রবাসীরা

সময়টা মোটেও ভাল যাচ্ছে না ইমরান খানের। একদিকে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক চাপ, অন্যদিকে অর্থনৈতিক মন্দার কষাঘাত। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো বিরোধীদের লাগাতার হট্টগোল। সবমিলিয়ে দিশেহারা অবস্থা প্রাক্তন পাকিস্তান অধিনায়কের। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে ফের ধূসর তালিকাতেই রাখল সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে অর্থ জোগানের ওপর নজরদারি চালানো সংগঠন ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (এফএটিএফ)।

শুক্রবার এফএটিএফ স্পষ্ট জানিয়েছে যে জাতিসংঘের ঘোষিত জঙ্গি হাফিজ সাইদ, মাসুদ আজহারের মতো কুখ্যাত সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার ফলে ধূসর তালিকাতেই থাকতে হচ্ছে পাকিস্তানকে। যদিও প্যারিসভিত্তিক সংস্থাটি জানিয়েছে যে জঙ্গি সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে সামান্য কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে ইসলামাবাদ। তবে সেই ব্যবস্থা যে পর্যাপ্ত নয় তা স্পষ্ট।

ভার্চুয়াল বৈঠকে এফএটিএফ-এর সভাপতি মার্কাস প্লেয়ার জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে সন্ত্রাসদমনে যে ২৭টি শর্তপূরণ করতে বলা হয়েছিল পাকিস্তানকে, তার মধ্যে ২৬টি পূরণ করছে দেশটি। একটি এখনও বাকি রয়েছে। আর সেই শর্ত হল,

জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবার প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সাইদ, সংগঠনের কমান্ডার জাকিউর রহমান লকভি এবং জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারের মতো কুখ্যাত জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। কিন্তু এত বছরেও তা করে উঠতে পারেনি পাকিস্তান। তাই ধূসর তালিকাতেই থাকতে হবে তাদের।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুন মাসে ধূসর তালিকাভুক্ত করা হয় ইমরান খানের দেশকে। সেই সঙ্গে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয় ২০১৯ সালের মধ্যে সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়া ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে অ্যাকশন প্ল্যানগুলো মেনে চলতে। পরে করোনা পরিস্থিতিতে এই ডেডলাইন পরে আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়। তারপর থেকেই ইমরান প্রশাসন মরিয়া হয়ে

চেষ্টা করেছে ওই তালিকার ছায়া থেকে বেরিয়ে আসার। কিন্তু প্যারিসে অবস্থিত এফএটিএফ-এর একের পর এক বৈঠকের পরও কাটেনি বিপদ। ধূসর তালিকা থেকে আর বের হওয়া হয়নি ইসলামাবাদের। এই পরিস্থিতি এবারের বৈঠককে ঘিরে ক্রমশ আশা জেগেছিল। কিন্তু সেই আশায় পানি ঢেলে দিল আন্তর্জাতিক সংস্থাটি।

COMMENTS

[gs-fb-comments]