টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট-এর শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা আ’ত্ম’সা’তের মি’থ্যা অভি’যো’গ!!!

টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট-এর শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা আ’ত্ম’সা’তের মি’থ্যা অভি’যো’গ!!!

পরহেজগার ব্য’ক্তির আমা’র পেজে কাজ কিঃ কনকচাঁপা
চাঁদপুরে মেঘনার পাড়ে পর্যটকদের ঢল
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুদিন ছুটির প্রস্তাব

টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর গত অর্থবছর ২০২০ সালের বেসরকারি কাজের বিল পাসের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগীয় প্রধান আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে।বলা হয়. তিনি গত বছর ২০২০ সালের অর্থ বছরের বেসরকারী কাজের বাজেটে ৮০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা আত্মসাত করেন।

আরো বলা হয় তিনি নাকি কর্মচারীদের ১৫ দিন কাজ করিয়েছে কিন্তু তিনি কোন প্রকার বিল দেননি এবং কলেজ থেকে যে সকল কর্মচারী ৬০০০ টাকা বেতন পায় তাদের তিনি করোনার অজুহাত দেখিয়ে ৩০০০ হাজার টাকা দিয়েছেন।

এই সকল অভি”যো’গ এর বিষয়ে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগীয় প্রধান আনোয়ার হোসেনের সাথে কথা বলে বিডিনিউস ১৯৭১ । তিনি জানায়, ইন্সটিটিউট গত অর্থবছর ২০২০ সালের বেসরকারি কাজের টাকা খরচ করার জন্য কমিটি আছে। কমিটির মাধ্যমে টাকা খরচ করা হয় ।অধ্যক্ষের এককভাবে খরচ করার এক্তিয়ার নাই।

তিনি বিডিনিউস১৯৭১ এর প্রতিনিধি কে আরো জানান,খন্ডকালীন কর্মচারীদের বেতন দেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের জমাকৃত অংশথেকে। শিক্ষার্থীরা যেহেতু ৬ মাসের স্থলে অনেক বেশি সময় এ পর্বে কাটাচ্ছে তাই ইনকাম কম হচ্ছে বিধায় প্রশাসনিক কাউন্সিলের

অনুমতিক্রমে কিছু কর্মচারী ছাঁটাই সিদ্ধান্ত হয় কিন্তু অধ্যক্ষ চিন্তা করেন ছাঁটাই না করে সকলকে ১৫ দিন করে ব্যবহার করে আর বাকি ১৫ দিন প্রতিষ্ঠানের সরকারি কর্মচারীদের ব্যবহার করার জন্য এতে স্বভাবতই বেতন পাবে ১৫ দিনের। তাই তারা ১৫ দিনের বেতন পাচ্ছিলেন।

তিনি বলেন তার বিরুদ্ধে যে সকল অ’ভি’যোগ’ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আরো বলেন তার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল এই সকল মিথ্যা অ’ভিযো’গ প্রচার করে বেড়াচ্ছেন তার মানহানি করার জন্য। তার বিরুদ্ধে আনা অ’ভিযো’গের এখন পর্যন্ত কোনো প্রমান পাওয়া যায় নি।

COMMENTS

[gs-fb-comments]