মালয়েশিয়ায় করো’নায় প্রা’ণ গেল দুই বাংলাদেশি অধ্যাপকের

মালয়েশিয়ায় করো’নায় প্রা’ণ গেল দুই বাংলাদেশি অধ্যাপকের

চু’রি যাওয়া ১৭ দিনের সেই শি’শুর ম’রদে’হ মি’লল পু’কুরে
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে গ্রাহকের সঙ্গে বাড়ছে লেনদেনের পরিমাণ
৫০ দিন আ’টকে রেখে মা-মেয়েকে নি’র্যা’তনের অভিযোগ

মালয়েশিয়ায় শুধু বাংলাদেশের সাধারণ কর্মীই নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন অনেক মেধাবী প্রফেসর। মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন বাংলাদেশি মেধাবী শিক্ষকের প্রা’ণ গেল করো’নায়। এই দুইজন শিক্ষক হিসেবে খুবই প্রভাবশালী ও স্বনামধন্য ছিলেন। তাদের মৃ’ত্যুতে ছাত্র-শিক্ষকদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রফেসর ড. এ আহাদ ওসমান গণির

শোক শেষ হতে না হতেই অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. ইশতিয়াক হোসাইন মৃ’ত্যুবরণ করলেন। উভয়েই করো’না আক্রান্ত হয়ে মৃ’ত্যুবরণ করেছেন। তাই নিয়ম অনুযায়ী লাশ মালয়েশিয়াতেই দাফন করতে হচ্ছে। এ ধরনের মেধাবী সন্তানদের মৃ’ত্যু নিঃসন্দেহে দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

কেননা বিদেশে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে শ্রেষ্ট মেধা, সর্বোচ্চ শ্রম এবং উৎকৃষ্ট দক্ষতার প্রকাশ ঘটাতে হয়। এ রকম অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় অর্ধশত শিক্ষক আছেন।

কুয়ালালামপুরের পেরদানা বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্র্যাজুয়েট স্কুল অফ মেডিসিনের ডেপুটি ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নাজমুল হাসান মাজিজ বলেন, ‘বিশ্ব্যবিদ্যালয়ে বাংলাদেশের যে অবস্থান ছিল এই দুই সহকর্মীর অকাল মৃ’ত্যুতে যে ক্ষতি হলো তা অপূরণীয়। এখানে আমাদের চরম প্রতিযোগিতা করেই আন্তর্জাতিক মানদন্ড বজায় রাখতে হয়।

তিনি বলেন, ‘এই দুইজন সহকর্মীর অকাল মৃ’ত্যু প্রমাণ করেছে তারা করো’না কালেও শিক্ষকতায় কতটা নিবেদিত ছিলেন। এই সময়ে আমাদের সতর্ক থাকার কোনো বিকল্প নেই ।

উল্লেখ্য, মেধা-শিক্ষকতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় বিশেষ অবস্থান তৈরি করলেও সংখ্যাগরিষ্ট সাধারণ বাংলাদেশি প্রবাসীদের মাঝে অজানায় রয়ে গেছেন এসব শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা। সেন্টার ফর এন আরবির প্রেসিডেন্ট এস এম শেকিল চৌধূরী বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় দুইজন মেধাবী শিক্ষকের অকাল মৃ’ত্যু আমাদের প্রবাসীদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

কেননা এ ধরনের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নীরবে দেশের দূতের কাজ করে থাকেন। তাদের গ্রহনযোগ্যতা দিয়ে সে দেশের প্রশাসন, সমাজ ও প্রভাবশালীদের সাথে উত্তম বোঝাপড়া তৈরি করেন যা দেশের ও প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় অভাবনীয় কাজ করে। যারা জীবিত আছেন তাদের অনুরোধ করব নিজদের ভাবমূর্তি সমুজ্জ্বল করতে পথপ্রদর্শক বা উপদেষ্টার ভূমিকা নিয়ে এগিয়ে আসবেন।’

COMMENTS

[gs-fb-comments]