অবশেষে এক হলেন শাওন-শিলা

অবশেষে এক হলেন শাওন-শিলা

বাংলাদেশি ভেবে ভার’তীয় নাগ’রিকের ওপর গু’লি ছু’ড়ল বি’এস’এ’ফ
নতুন খবর দিলো আবহাওয়া অধিদফতর।
পূর্বাচলে ২০ একর জমিতে বাণিজ্য মেলা ১৭ মার্চ শুরু

অবশেষে এক হলেন কিংবদন্তি লেখক হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও মেয়ে শিলা আহমেদ। তবে তা হয়েছে ভিন্ন একটি প্রেক্ষাপট ঘিরে। জনপ্রিয় চারটি চরিত্রকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করে মেধাস্বত্ব আইন লঙ্ঘন করার অভিযোগে গ্রামীণফোনকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে হুমায়ূন পরিবার । এতে ৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে লেখক পরিবার।

প্রয়াত এই লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হামিদুল মিজবাহ এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশের বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী হামিদুল মিজবাহ বলেন, ‘মঙ্গলবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে গ্রামীণফোনকে নোটিশ পাঠিয়েছি। এর আগে গত রোববার রাতেও ই-মেইল করেছিলাম।’

মেধাস্বত্ব আইন লঙ্ঘন করে গ্রামীণফোন যে চারটি চরিত্র অবলম্বনে যেসব প্রমোশনাল ভিডিও প্রচার করছে, তা তিন দিনের মধ্যে অপসারণ করতে বলা হয়েছে নোটিশে।

সেই সঙ্গে মেধাস্বত্ব আইন লঙ্ঘনের জন্য ৩ কোটি ১৫ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ১৫ দিনের মধ্যে হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের সদসদের প্রদান করতে বলা হয়েছে।

অন্যথায় গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও জানিয়েছেন নোটিশকারী আইনজীবী মিজবাহ। তিনি বলেন, হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় চারটি চরিত্র ‘বাকের ভাই’, ‘এলাচি বেগম’, ‘সোবহান সাহেব’ ও ‘তৈয়ব আলী’ কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়া বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করে গ্রামীণফোন মেধাস্বত্ব আইন লঙ্ঘন করেছে।

প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, কন্যা নোভা আহমেদ, শীলা আহমেদ, বিপাশা আহমেদ, পুত্র নূহাশ হুমায়ূন ও ভাই জাফর ইকবালের পক্ষে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

হুমায়ূন আহমেদের চার চরিত্র ‘বাকের ভাই’ (ওপরের বাঁয়ে) , ‘এলাচি বেগম’ (ডানে), ‘সোবহান সাহেব’ (নিচে বাঁয়ে) ও ‘তৈয়ব আলী’

এতে বলা হয়েছে, মোবাইল ফোন কোম্পানি গ্রামীণফোন ২০২০-এর জুলাই মাসে ‘কেমন আছেন তারা’ শীর্ষক কয়েক পর্বের একটি ধারাবাহিক প্রোমোশনাল অনুষ্ঠান প্রচার করে। অনুষ্ঠানটির টাইটেল ছিল ‘গ্রামীণফোন নিবেদিত কেমন আছেন তারা’।

অনুষ্ঠানটি গ্রামীণফোনের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রচার করা হয় এবং তা ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে। এই অনুষ্ঠানে প্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমেদের রচিত চারটি জনপ্রিয় চরিত্র বাকের ভাই (কোথাও কেউ নেই), এলাচি বেগম (অয়োময়),

সোবহান সাহেব (বহুব্রীহি) এবং তৈয়ব আলীকে (উড়ে যায় বক পক্ষী) ব্যবহার করা হয়। এ জন্য গ্রামীণফোন হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের সদস্য বা উত্তরাধিকারীদের কাছ থেকে কোনো প্রকার অনুমতি বা লাইসেন্স নেয়নি।

নোটিশে বলা হয়, চারটি চরিত্র ব্যবহার করা এপিসোডগুলো ৩০ লাখের বেশি ভিউ হয়েছে। প্রচলিত আইনে এ ধরনের ব্যবহারের জন্য বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও গ্রামীণফোন তা মানেনি, যার ফলে মেধাস্বত্ব আইন লঙ্ঘিত হয়েছে।

COMMENTS

[gs-fb-comments]