নরসিংদীতে পড়াশোনার ভয়ে পাঁচতলা উঁচু ভবনের পাইপ বেয়ে নিচে নামছিল শিশুটি

নরসিংদীতে পড়াশোনার ভয়ে পাঁচতলা উঁচু ভবনের পাইপ বেয়ে নিচে নামছিল শিশুটি

কারাগারে পড়াশোনা করতে চান মৃ’ত্যুদণ্ড’প্রাপ্ত মিন্নি
দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকা তৃতীয়
ইতালিতে এক সপ্তাহে বাংলাদেশিসহ আক্রান্ত লাখের বেশি

প্রতিনিয়ত কত রকমের ঘটনা ঘটে আমাদের চারপাশে তার সব আমারা জানতে না পারলেও মিডিয়ার মাদ্ধমে আমাদের কাছে এসে পৌঁছে যায় সেসব সংবাদ। তেমনি একটি ঘটনা ঘটেছে নরসিংদীতে।

শহরের বাসাইলে একটি মাদ্রাসার পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পাইপ বেয়ে নিচে নামতে চেয়েছিল ১০ বছর বয়সী একটি শিশু। কিছুটা নামার পরই ভয়ে ওই পাইপে আটকে যায় সে। ওই সময় শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয়দের। পরে তাকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে নরসিংদী শহরের শাপলা চত্বর এলাকার দারুত তাক্বওয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

পাঁচতলা ভবনের ওই পাইপে আটকে যাওয়া শিশুটির নাম রোহান সরকার (১০)। রোহান নরসিংদী শহরের শাপলা চত্বর এলাকার দারুত তাক্বওয়া মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ও নরসিংদী পৌর এলাকার বাসাইল মহল্লার রোকন উদ্দিন সরকারের ছেলে।

শিশুটির পরিবারের লোকজন জানান, দারুত তাক্বওয়া মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রোহান পড়াশোনার চাপে ওই মাদ্রাসায় যেতে চাইতো না।

সম্প্রতি তাকে পড়াশোনায় মনোযোগী করার জন্য ওই মাদ্রাসায় আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে রাখা হয়। বাসা কাছে থাকায় প্রায়ই বাসায় যাওয়ার জন্য নানা অজুহাত দেখাতো সে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে ওই মাদ্রাসার কলাপসিবল গেট তালাবদ্ধ থাকায় রোহান পাঁচতলার ছাদে যায়। সেখানে যাওয়ার পর ভবনটির পেছনের পাইপ বেয়ে নিচে নামার চেষ্টা করে। তবে কিছুটা নামার পরই ভয় পেয়ে সে ওই পাইপে আটকে যায়।

স্থানীয়রা জানান, পাইপে আটকে গিয়ে ওই শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করে। কান্নার শব্দ কোথা থেকে আসছে তা দেখার জন্য আশেপাশে তাকাতে থাকেন উপস্থিত লোকজন।

এ সময় ওই শিশুটিকে পাঁচতলার পাইপে আটকে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ওই মাদ্রাসার ছাদে উঠে রশি ও বাঁশের সাহায্যে তাকে টেনে তুলে উদ্ধার করেন।

শিশুটির বাবা রোকন উদ্দিন সরকার বলেন, মাদ্রাসায় থাকার সময় প্রায়ই সে বাসায় আসার জন্য কান্নাকাটি করতো। পড়াশোনা করতে চাইতো না।

তাই আজ ছাদের পাইপ বেয়ে নিচে নামার চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় সে মৃ;ত্যুর হাত থেকে রক্ষা পায়। তবে মাদ্রাসার কোনো শিক্ষক তার ছেলেকে ভয়ভীতি বা নির্যাতন করেনি বলে জানান তিনি।

COMMENTS

[gs-fb-comments]