সিলেটের আলোচিত সেই মুন্নী এবার ইয়া’বাসহ গ্রে’প্তার

সিলেটের আলোচিত সেই মুন্নী এবার ইয়া’বাসহ গ্রে’প্তার

বন্ধের পথে বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে আমদানি-রফতানি
মাস্ক ব্যবহার না করায় নন্দীগ্রামে ১৪ জনের জরি’মানা
৬০ হাজার টাকায় ধ’র্ষ’ণের মী’মাংসা ক’রলেন না’রী কাউন্সিলর!

ইয়াবাসহ গ্রে’প্তার হলেন সিলেটের সেই মুন্নী। শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে ধ”ণ মা’মলায়ও। দুই মা’মলার আ’সামি হয়ে মুন্নীর ঠাঁই হলো সিলেট কেন্দ্রীয় কা’রাগারে। সঙ্গে আছেন ধ’র্ষক ভাই রাব্বীও। এই মুন্নী হলেন সিলেটের আলোচিত

সেই তিন্নী-মুন্নী জুটির মুন্নী। এক সময় সিলেটের লন্ডনি যুবকদের কাছে তাদের পরিচিতি ছিল ব্যাপক। টাকাওয়ালা পরিবারের দিকে থাকতো চোখ। টাকার সেই চোখ এখনো বদলায়নি।

অ’পরাধ জগৎ থেকে ফিরতে পারেনি মুন্নী। এ কারণে এবার ইয়াবাসহ তাকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। গো’য়েন্দা পুলিশ ধারণা করছে- মুন্নীর সঙ্গে সিলেটের ইয়াবা নেটওয়ার্কের সম্পর্ক রয়েছে। ইয়াবা বেচা-বিক্রিতে তার নেতৃত্বে থাকতে পারে

চ’ক্রও। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া উইং থেকে শনিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে মুন্নী আ’টকের কথা। মুন্নীর পুরো নাম মরিয়ম আক্তার মুন্নী। বয়স উনত্রিশ কিংবা ত্রিশ। শিবগঞ্জের হাতিমবাগ এলাকার জাকির হোসেনের

মেয়ে সে। একাধিক বিয়ে, পরপুরুষকে নিয়ে রোমান্সসহ নানা ঘটনায় সিলেটে আলোচিত মুন্নী। গ্রে’প্তারের আগেও সে নগরীর ব্যবসায়ী পুত্রের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিতো।

কিন্তু বিয়ের বি’ষয়টি আদৌ সত্যি কিনা তা জানা যায়নি। নিজ এলাকাসহ নগরীর কয়েকটি বাসায় রয়েছে মরিয়ম আক্তার মুন্নীর যাতায়াত। একেক সময় সে একেক বাসায় বসবাস করে। কখনো গো’পনে, কখনো আবার প্রকাশ্যে তার বসবাস।

এসএমপি’র মিডিয়া উইং থেকে জানানো হয়- শনিবার সকালে মহানগর গো’য়েন্দা পুলিশের একটি দল নগরীর সোনারপাড়া ঊর্মি ৪৭/২ বাসায় অবস্থান করছিলো। এ সময় গো’পন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অ’ভিযান চা’লি

য়ে মুন্নীকে গ্রে’প্তার করে। মুন্নী শাহপরান থানার একটি ধ”ণ মা’মলার আ’সামি। গো’য়েন্দা পুলিশ জানায়, মুন্নী সোনারপাড়া ওই বাসায় আশ্রিতা হিসেবে বসবাস করতো।

এবং সিলেট শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ইয়াবা পাইকারি দরে এনে বিক্রি ও সেবন করতো। ওই বাসায় ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের একটি আস্তানাও গড়ে তুলেছিল। এর আগেও সে সিলেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে ইয়াবা বিক্রি ও

সেবনের আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল। এদিকে গ্রে’প্তারের পর মুন্নীকে সিলেটের শাহপরান থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করলে পুলিশ তাকে আ’দালতের মাধ্যমে কা’রাগারে প্রেরণ করে। সিলেটের শাহপরান থানার ওসি আব্দুল কাইয়ূম মানবজমিনকে জানিয়েছেন, মুন্নীর বি’রুদ্ধে গত ৩রা অক্টোবর শাহপরান থানায় একটি ধ”ণ মা’মলা দা’য়ের করা হয়েছিল। ওই মা’মলায় আ’সামি ছিল মুন্নীর ভাই রাব্বীও।

মা’মলার পর ভাই রাব্বী তালুকদারকে গ্রে’প্তার করা সম্ভব হলেও মুন্নী প’লাতক ছিল। শনিবার মুন্নীকে গ্রে’প্তারের পর ধ”ণ মা’মলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে আ’দালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মুন্নীর বি’রুদ্ধে মা’দক বিক্রিসহ নানা বি’তর্কি’ত

কর্মকাণ্ডের অ’ভিযোগ রয়েছে বলে জানান ওসি। শাহপরান থানা পুলিশ জানায়, গত ২৯শে সেপ্টেম্বর মুন্নীর ভাই রাব্বী তালুকদার একই এলাকায় বসবাস করা এক কি’শোরীকে অ’পহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর তাকে নিয়ে যায় ঢাকার মানিকগঞ্জে। এ ঘটনায় ওই কি’শোরীর মা শাহপরান থানায় এজাহার দাখিল করেছিলেন। কিন্তু পুলিশ তখন এজাহারটিকে

ত’দন্ত পর্যায়ে রেখেছিল। এরই মধ্যে ঢাকা থেকে বড় বোন মুন্নীর সোনারপাড়াস্থ বাসায় এসে আশ্রয় নিয়েছিলো রাব্বী ও ওই কি’শোরী। পরে স্থানীয় মুরুব্বিরা বি’ষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন। মুন্নীও তাতে সায় দেন।

কিন্তু পরবর্তীতে মুরুব্বিদের রায় মানেননি মুন্নী। উল্টো পুলিশ দিয়ে সবাইকে শায়েস্তা করার হু’মকি দেন বলে এলাকার লোকজন জানিয়েছেন। পরে এলাকাবাসীর পরামর্শে ১লা অক্টোবর মা’মলার বা’দী ওসি আব্দুল কাইয়ূমের শরণাপন্ন হন।

পরে শাহপরান থানা পুলিশ অ’ভিযান চা’লিয়ে ওই দিন রাতেই মুন্নীর বাসা থেকে কি’শোরীকে উ’দ্ধার করে। গ্রে’প্তার

করে আ’সামি রাব্বী তালুকদারকে। এরপর থেকে রাব্বী তালুকদার অ’পহরণ ও ধ”ণ মা’মলায় কা’রাগারে রয়েছে। তবে

ওই সময় পুলিশ মুন্নীকে খুঁজলেও পায়নি। ঘটনার প্রায় এক মাস পর ইয়াবাসহ গ্রে’প্তার করা হলো মুন্নীকে। সূত্রঃ মানব জমিন

COMMENTS

[gs-fb-comments]