২০ হাজার টাকায় শুরু করে এখন ৭ লাখ টাকার মালিক

২০ হাজার টাকায় শুরু করে এখন ৭ লাখ টাকার মালিক

কোল্ডস্টোরেজ-পল্লী বিদ্যুতের ঝামেলায় পচছে ২২ কোটি টাকার আলু
বাগেরহাটে এক ইলিশের দাম ৫৩০০ টাকা !
ইতিহাসে রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশের আলুর

ছোটোবেলা থেকেই ইচ্ছে ছিলো নার্সারি করার। কিন্তু পরিবারের বাঁধার কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। অবশেষে করোনার সময়ে নিজের চেষ্টায় সেই স্বপ্ন সত্যি করেছেন কলেজ পড়ুয়া যুবক।

বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার মহিষাবাড়ি পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত আব্দুল খালেক মণ্ডলের ছেলে মেহেদুল

ইসলাম সাগর জানান, তিনি মাত্র ২০ হাজার টাকা মূলধনে নিয়ে শুরু করেছিলেন নার্সারির যাত্রা। কিন্তু মাত্র কয়েকমাসেই কঠোর পরিশ্রম করে বর্তমানে তিনি সাত লাখ টাকা অর্থমূল্যের চারার মালিক।

বর্তমানে বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজের অনার্স শেষ বর্ষের এই শিক্ষার্থী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অবসর সময় কাটাতেই মূলত তিনি নার্সারির কাজ শুরু করেন। কিন্তু প্রথমে নার্সারি তৈরিতে বিভিন্ন ধরনের বাধার সম্মুখীন হন। পরবর্তীতে পাশের গ্রামের কৃষক আপেলের সহযোগিতায় তার পৈতৃক জমি ও কিছু জমি লিজ নিয়ে মোট ২.১৫ একর জমিতে চারা রোপণ শুরু করেন।

সাগর জানান, চারা তৈরির স্পার্মগুলো তিনি আশপাশের এলাকা থেকে সংগ্রহ করেন এবং শ্রমিক দিয়ে কাজ করাতে তিনি তেমন ইচ্ছুক নন।

নার্সারিতে কাজ করাটা উপভোগ করেন উল্লেখ করে সাগর বলেন, “আমি আমার নার্সারিতে যখনই কাজ করতে আসি তখনই মন প্রফুল্ল হয়। আমার ভালোলাগার অন্যতম এক জায়গা হয়ে উঠেছে এই নার্সারি।”

প্রসঙ্গত, বর্তমানে মেহেদুল ইসলাম সাগরের নার্সারিতে বারো হাজার আমের চারা, চার হাজার বড়ইয়ের চারা, তিন হাজার লটকনের চারা, দুই হাজার মালটার চারা, দেড় হাজার লিচুর চারা ও এক হাজার বাদামের চারা রয়েছে

COMMENTS

[gs-fb-comments]