আমিরাতের চাপ প্রত্যা;খ্যান: ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে না পাকিস্তান

আমিরাতের চাপ প্রত্যা;খ্যান: ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে না পাকিস্তান

ডিগ্রির ফল প্রকাশ, পাশের হার ৬৫.৭৮ শতাংশ
কী কারণে সমুদ্রের ওপর ‌‘আকাশে’ ভাসছে জাহাজ?
অ’ভি’যো’গ প্র’মা’ণিত হ’লে মৃ’ত্যু’দ’ণ্ড হ’বে ওসি প্র’দী’পের

ইহুদিবাদী ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে এবং তেলআবিবের সঙ্গে কূ;টনৈ;তিক সম্পর্ক সৃষ্টি করতে পাকিস্তানের ওপর সংযুক্ত আরব আমিরাত দীর্ঘদিন ধরে যে চা;প সৃষ্টি করেছে তা কার্যত মুখ ;পড়েছে।

পাকিস্তান সরকার বলেছে, দেশের ভেতরে ইসরাইল-বিরোধী প্রচণ্ড জনমত এবং ফিলিস্তিন ও কাশ্মীর পরিস্থিতি একই রকম হওয়ার কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতের চাপ প্রত্যা;খ্যা;ন করার যথেষ্ট যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি সফর করার পর ইসলামাবাদ তার পরিষ্কার অবস্থান ঘোষণা করল। এ সফরে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা নিরসনের জন্য আলোচনা করেছেন।

ইহুদিবাদী ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়া এবং তার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রশ্নে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করা হয়। গত আগস্ট মাসে আরব আমিরাত নিজেও ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার তিন বছর পর ১৯৪৮ সালে ব্রিটিশশাসিত ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলের জন্ম হয়। পশ্চিমা বিশ্বের বানানো এই রাষ্ট্রকে কখনো মেনে নেয়নি আরবরা। ১৯৫৬, ১৯৬৭ ও সবশেষ ১৯৭৩ সালে আরব রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যুদ্ধ হয় ইসরায়েলের। প্রতিবারই আরবরা পরাজিত হয়।

এরপর থেকেই ইহুদিদের কাছে জমি হারাতে বসে ফিলিস্তিনিরা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ফিলিস্তিন-ইসরায়েল দুটি রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে সংঘাত মেটানোর চেষ্টা করলেও তা এখনো সফলতার মুখ দেখেনি। ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় আরব দেশগুলো প্রধান তিনটি শর্ত দিয়েছিল।

সেগুলো হলো যু;দ্ধে;র সময় আরব দেশগুলোর দখল করা জমি ছেড়ে দেওয়া, ফি;লিস্তিন রাষ্ট্র গঠন ও স্বীকৃতি এবং ফিলিস্তিনের দখল করা জমি হস্তান্তর। সেই শর্তের কোনোটা পূরণ না হওয়ার পরও আরব দেশগুলো ইহুদি রাষ্ট্রটির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলছে। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফিলিস্তিন।

COMMENTS

[gs-fb-comments]