মৃ’ত্যুর আগে রোগীকে কালেমা পাঠ করে শোনালেন হিন্দু চিকিৎসক

মৃ’ত্যুর আগে রোগীকে কালেমা পাঠ করে শোনালেন হিন্দু চিকিৎসক

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস
জো বাইডেন জিতলে বাংলাদেশ বেশি সহযোগিতা পাবে
খা’টে করে এনে অপেক্ষা, নদী ঘাটেই গ’র্ভবতীর মৃ’ত্যু

করোনাভাইরাসে আ;ক্রান্ত একজন মুসলিম রোগী ;হাস;পাতালে চিকিৎসা নি;লেন। মুমূর্ষু অবস্থা;য় তা;কে ভেন্টি;লেটর সহা;য়তায় রাখা হয়। পরিবারের কারো তার কাছে যাওয়া;র অনুমতি ছিল না। তাই তার মৃ;ত্যুর আগে তাকে কালেমা

শাহাদাত পাঠ করে শোনান দায়িত্বরত এক হিন্দু চিকিৎসক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এ চিকিৎসক নিজের মহৎকর্মে সবার কাছে ব্যাপ;ক প্রশং;সিত হোন।

করোনা মহা;মারিকালে স;ম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে ডা. রেখা কৃষ্ণ কেরালার পলাক্কাদ জেলার সেভানা হসপিটাল এন্ড রিসার্চ সেন্টারে চিকিৎসাসেবা দিতেন। সেখানে চিকিৎসারত একজন ‍মুসলিম রোগী মৃ;ত্যুশ;য্যায় শা;য়িত ছিলেন। চিকিৎসক রোগীর কানে;র কাছে এসে কলেমা (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ) পাঠ করে শোনান। (অর্থ

– আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, মুহাম্মাদ (সা.) আল্লাহর রাসুল)। এর কিছুক্ষণ পর কয়েক বার শ্বা;স নিয়েই ওই রোগী মা;রা যান।

ডা. কৃষ্ণ ব্যতিক্রমী এ ঘটনার বিবরণ নিজের সহকর্মী চিকিৎসকের কাছে বর্ণনা করেন। পরবর্তীতে তিনি এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন। তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা ভাইরাল হয় এবং ব্যাপ;কভাবে প্র;শংসিত হয়। ডা. রেখা কৃষ্ণের মহৎকর্মে সবাই তাঁকে সাধুবাদ জানায়।

ডা. কৃষ্ণ জানান, প্রয়াত রোগী কভিড-১৯ এ আক্রান্তের পর নিউমো;নিয়া হয়। গত দুই সপ্তাহ ধরে তাঁকে ভেন্টিলেটর সহায়তায় রাখা হয়। কিন্তু অবস্থার অ;বনতি ঘটলে চিকিৎসকরা অনুভব করেন যে, তাঁরা তাকে বাঁচানোর জন্য তেমন কিছু করতে পারেন না।

অতঃপর তাকে ভেন্টিলেটর থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় এবং আত্মীয়দের তার অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করা হয়। এদিকে কোভিড-১৯ আক্রান্ত মুমূর্ষ রোগীর কথা জানতে পেরে ডা. কৃষ্ণা তাঁর কাছে আসেন এবং মৃ;ত্যুর আ;গে তাঁর কানের কাছে এসে কলেমা পাঠ করেন।

ডা. কৃষ্ণ বলেন, এটি আমার কোনো পরিক;ল্পিত কাজ ছিল না। বরং তা আকস্মি;কভাবে করেছি। মূ;লত আমি দুবাই জন্মগ্রহণ করেছি এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেছি। তাই মুসলিম সম্প্রদায়ে প্রচলিত বিভিন্ন নিয়ম-নীতি সম্পর্কে আমার জানাশোনা আছে।

ডা. কৃষ্ণ আরো বলেন, উপসাগরীয় ওই দেশে থাকাকালে আমার বিশ্বাসের কারণে কখনও বৈষম্যের শিকার হইনি। তাই যখন সুযোগ পেলাম তখন প্রাপ্ত সম্মান ফিরিয়ে দিলাম। আমি এটিকে ধর্মীয় রীতি বলে মনে করি না; বরং মানবিক কাজ হিসেবে তা আমি করেছি।’

সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

COMMENTS

[gs-fb-comments]