সরকারি ওষুধ চু’রির পর ফেলে দেয়া হলো

সরকারি ওষুধ চু’রির পর ফেলে দেয়া হলো

টাঙ্গাইলে পাঁচটি দোকান পুড়ে ছাই
মিয়ানমার থেকে এলো আরও ২৪ টন পিয়াজ
ডিগ্রির ফল প্রকাশ, পাশের হার ৬৫.৭৮ শতাংশ

সরকারি ওষুধ চুরির পর ফেলে দেয়া হলো, বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ উদ্ধার- বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের ধারণা

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে থেকে এসব ওষুধ চুরি করার পর বিক্রি করতে না পেরে অথবা ধরা পড়ার ভয়ে ফেলে দেয়া হয়েছে।স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দায়িত্বরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল কর্মকর্তা (স্যাকমো) সিনিগ্ধা রায় এ কাজ করেছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয়রা জানায়, বিভিন্ন ধরনের ট্যাবলেটের পাতা ও সিরাপভর্তি বোতল রোববার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে

থাকতে দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হলে সোমবার এসব ওষুধ সরিয়ে ফেলা হয়।

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগী দেখার ব্যবস্থাপত্র দেয়া হয়। এরপর ওই ব্যবস্থাপত্র দেখিয়ে ওষুধ চাইলে কমিউনিটি মেডিকেল কর্মকর্তা (স্যাকমো) সিনিগ্ধা রায় ওষুধগুলো তাদের সংগ্রহে নেই বলে রোগীদের জানিয়ে দেন। বাইরে থেকে কিনে নেয়ার পরামর্শ দেন। তবে তার হাতে টাকা দিলে তিনি স্টোর থেকে ওষুধ এনে দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ওষুধ রোগীদের সরবরাহ না করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের গোপন একটি জায়গায় তা জমা করা হয়। মাস খানেক পর অনেক ওষুধ জমা হয়ে গেলে তা বাইরে বিক্রি করা হয়।

পাশাপাশি অনেক সময় হাসপাতালে রোগীদের কাছে হাসপাতালের ওষুধ বিক্রি করা হয়। তবে মাঝেমধ্যে বিনামূল্যে প্যারাসিটামল আর স্যালাইন রোগীদের সরবরাহ করা হতো ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে দায়িত্বরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল কর্মকর্তা (স্যাকমো) সিনিগ্ধা রায় বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওষুধ বিক্রির যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। যেসব ওষুধ কেন্দ্রের পাশে পড়ে ছিল তা

মেয়াদোত্তীর্ণ। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ওই সব ওষুধের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তাই আয়াকে পুড়িয়ে নষ্ট করে ফেলতে বলা হয়েছিল। কিন্ত আয়া তা না পুড়িয়ে বাইরে ফেলেছিল।

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. সাইয়্যেদ মো. আমরুল্লাহ বলেন, কোনো ওষুধের মেয়াদোত্তীর্ণ হলে ধ্বংসের দায়িত্ব তাদের নয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে আমাকে অবহিত করা হয়।

তারপর সিভিল সার্জনের কাছে ওষুধ পুড়িয়ে নষ্টের জন্য অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষকে তারা কিছুই জানাননি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

COMMENTS

[gs-fb-comments]