নিরাপদে সরকারি ভাতা বিতরণে উদাহরণ তৈরি করেছে ‘নগদ’

নিরাপদে সরকারি ভাতা বিতরণে উদাহরণ তৈরি করেছে ‘নগদ’

দ্রুতগতির ইলেকট্রিক বাইক
স্বচ্ছ ডিসপ্লের টিভি আনছে শাওমি
তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার বছর

২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক নি’রাপত্তা খাতের বরাদ্দ ১৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ বাড়িয়ে ১ লাখ ৭ হাজার ৬২৪ কোটি টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এই বরাদ্দ দেশজ মোট উৎপাদনের ৩ দশমিক ১১ শতাংশ। একই সঙ্গে ১৪ লাখ দরিদ্র মানুষকে নতুন

 

করে সামাজিক নিরা’পত্তা ভাতায় অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার সামাজিক নিরা’পত্তা কর্মসূচির বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং সুবিধাভোগীদের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’। একই সঙ্গে সরকারি সকল

 

অনুদান, ভাতা ও আর্থিক সহায়তা মোবাইল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছে এই সেবাটি। ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ ছিল ৯৫ হাজার ৫৭৪

 

কোটি টাকা, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যা বড় ভূমিকা রেখেছে। করোনার পুরো সময়টাতে সরকারি ভাতা ও আর্থিক সহায়তা বিতরণের ক্ষেত্রে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বিশেষ করে ‘নগদ’

 

গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাছাড়া দেশে ক্যাশলেস লেনদেনে উৎসাহ দিয়ে সং’ক্র’মণ প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ‘নগদ’। ২০২০-২১ অর্থবছরে সমাজসেবা অধিদফতরের আওতায় সরকার সামাজিক নি’রাপত্তা কর্মসূচির যে

 

ভাতা বিতরণ করেছে, তার ৭৫ শতাংশ বিতরণের দায়িত্ব পেয়েছে ‘নগদ’। তাছাড়া দুই দফায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঈদ উপহার বিতরণ, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, খামারি ও মৎস চাষিদের ভাতা দেয়াসহ নানা ক্ষেত্রে ‘নগদ’ নেতৃত্ব দিয়েছে।

 

সবমিলিয়ে সবচেয়ে নিরা’পদে সরকারি ভাতা জনগণের মাঝে বিতরণের ক্ষেত্রে ‘নগদ’ একটি উদাহরণ তৈরি করেছে। সরকারি ভাতা ও আর্থিক অনুদান ক্যাশ আউট করতে উপকারভোগীকে অতিরিক্ত কোনো অর্থ খরচ করতে হয় না।

 

সামাজিক নিরা’পত্তা খাতে সরকারের বরাদ্দ বৃদ্ধির বিষয়ে নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুক বলেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে দ্রুততার সঙ্গে সরকারি বরাদ্দ বা অনুদান পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে নগদ-ই এখন সরকারের প্রথম পছন্দ।

 

গত বছর সরকারি সকল ভাতা নগদের বিতরণের জন্য অনুশাসন প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। তার এই অনুশাসন অনুসারে একে একে সকল সরকারি সংস্থা নগদের মাধ্যমে তাদের ভাতা বা অনুদান বরাদ্দ করছে, তাতে পুরো বিষয়টিতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ

 

এবং নজরদারি থাকছে। তাছাড়া, সামাজিক নিরা’পত্তা খাতের অনুদান যদি এমএফএসের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়, তাহলে সেটা একদিকে যেমন আর্থিক খাতের ডিজিটালাইজেশন নিশ্চিত করবে, অন্যদিকে আবার দেশের আর্থ-সামাজিক খাতেও বড় অবদান রাখবে।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, সেদিন খুব বেশি দূরে নয়, ‘নগদ’ সরকারের পুরো ভাতা বিতরণ ব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজ করবে এবং জনগণও কোনো রকম ঝক্কি ছাড়াই তাদের প্রাপ্য বুঝে পাবে। গতবারের মতো এবারও সরকার নগদের মাধ্যমে সামাজিক নিরা’পত্তা ভাতা বিতরণ করবে বলে আশা করি।

COMMENTS

[gs-fb-comments]