টাকার অভাবে খেলোয়াড় কিনতে পারেনি বার্সেলোনা

টাকার অভাবে খেলোয়াড় কিনতে পারেনি বার্সেলোনা

লাল পাসপোর্ট, গাড়ি কিছুই নেইনি: মাশরাফি
রোনালদোকে ছাড়াই পর্তুগালের বিশাল জয়
অবশেষে অনুশীলনে যোগ দিলেন তামিম-মোস্তাফিজ

করো;না;ভাই;রা;স মহা;মা;রির কা;রণে আসা আর্থিক ধা;ক্কা;র কারণে নিজের মন মতো করে বার্সেলোনার স্কোয়াড সাজাতে পারেননি দলের নতুন কোচ রোনাল্ড কোম্যান। বার্সেলোনার বর্তমান আর্থিক অবস্থা তাকে নতুন খেলোয়াড় কেনার অনুমতি দেয়নি বার্সা কোচকে। তাই ট্রান্সফার ডেডলাইন পেরিয়ে গেলেও নতুন খেলোয়াড় আসেনি বার্সেলোনায়।

এবারের ট্রান্সফার উইন্ডোতে আর্থুর মেলো, ইভান র‍্যাকিটিচ, আর্তুরো ভিদাল এবং লুইস সুয়ারেজের মতো বড় বড় তারকাদের ছেড়ে দিয়েছে বার্সেলোনা। বিপরীতে দলে এসেছেন মিরালেম পিয়ানিচ, সার্জিনো দেস্ত, ত্রিনকাও, পেদ্রি এবং ম্যাথিউস ফার্নান্দেসরা।

অনেক গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল, ফরাসি ক্লাব অলিম্পিক লিওন থেকে ডাচ ফরোয়ার্ড মেমফিস ডিপেকে আনার ব্যাপারে। কিন্তু শেষপর্যন্ত এ চুক্তি সম্পাদিত হয়নি। যে কারণে জাতীয় দলের সাবেক কোচের সঙ্গে রিউনিয়নও সম্ভব হয়নি ডিপের।

করোনা মহা;;মা;রির কারণে ৯৭ মিলিয়ন ইউরো ক্ষ;তি হয়েছে বার্সেলোনার এবং কমেছে ২০৩ মিলিয়ন ইউরো রেভিনিউ। এই ৩০০ মিলিয়ন ইউরো কমে যাওয়ায় নতুন খেলোয়াড় কেনার ক্ষেত্রেও হাত ছোটই রাখতে হয়েছে বার্সা ম্যানেজম্যান্টকে।

যদিও নিজের স্কোয়াড ঠিকই আছে বলেছেন বার্সা কোচ। বার্সা টিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে কোম্যান বলেছেন, ‘স্কোয়াড এখন ঠিকই আছে। এ দল নিয়ে আমি সন্তুষ্ট।’

তবে একইসঙ্গে এটিও স্বীকার করে নিয়েছেন কোম্যান যে, টাকার অভাবে কিছু পজিশনের খেলোয়াড় কিনতে পারেননি তিনি। অবশ্য এ নিয়ে হাহুতোশ করার পক্ষপাতী নন কোম্যান। বরং স্কোয়াড যেমন আছে তা নিয়েই সামনে এগুনোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

তার ভাষ্য, ‘আমরা স্কোয়াডের শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করেছি। কিছু পজিশনে আমরা মন মতো পেরেছি, কিছু পজিশনে পারিনি। এমনটা হয়েছে ক্লাবের অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে। এটা আমাদের মেনে নিতে হবে এবং কাজ করে যেতে হবে।’

বার্সেলোনা কোচের চিন্তার জায়গা অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছেন ১৭ বছর বয়সী বিস্ময় তরুণ আনসু ফাতি। যে এরই মধ্যে লা লিগার তিন ম্যাচে করে ফেলেছে তিনটি গোল। এছাড়া স্পেন জাতীয় দলের হয়েও আলো ছড়াচ্ছেন ফাতি। তার পারফরম্যান্সে আশা দেখছেন বার্সেলোনা কোচ।

কোম্যান বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত ফাতির পারফরম্যান্স সেরা। আমরা একজন ১৭ বছর বয়সী খেলোয়াড়ের কথা বলছি। এ বয়সে সর্বোচ্চ পর্যায়ে টানা তিন ম্যাচ খেলা অবশ্যই অনন্য প্রতিভার সাক্ষ্য দেয়। অবশ্যই তার অনেক শেখার বাকি এবং তার নিজেরও সেই আগ্রহটা আছে। আমরাও তার সাহায্যের জন্য রয়েছি।

COMMENTS

[gs-fb-comments]