সেই নারী ব্যাংকারের বিয়ে ভেঙে যেতো যে কথা শোনলেই

সেই নারী ব্যাংকারের বিয়ে ভেঙে যেতো যে কথা শোনলেই

স্বামীর অতিরিক্ত আদর-ভালোবাসায় অতিষ্ঠ, বিচ্ছেদ চান স্ত্রী
পরীমনি আব্দুল আজিজের চ্যাটিং ফাঁস !
‘আমরা কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কারণ কাশ্মীরিরা আমাদের ভাই-বোন’

অফিসে কর্মরত অবস্থায় ডেস্কেই গহর জাহান নামের এক নারী ব্যাংকারের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে। প্রাইম ব্যাংকের উত্তরার শাখা কার্যালয়ের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে সেই দৃশ্য। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ভিডিওটি। এই নারীর মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক জানিয়েছেন অনেকে। গহর জাহানের পরিবার জানায়, গহরের ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছিল। এই অবস্থায়ই ব্যাংকে নিয়মিত কাজ করছিলেন তিনি।

অবিবাহিত গহরের বড় ভাই মারুফ নেওয়াজের বাসায় থাকতেন। তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইন্সটিটিউটের পরিচালক। মারুফ নাওয়াজ বলেন, অনেকদিন আগে ভারতে গিয়ে ওপেন হার্ট সার্জারি করেছিলেন গহর। মারা যাওয়ার কয়েকদিন আগেও ভারতের সেই চিকিৎসক গহরকে ফের চেকআপের জন্য ভারত যেতে বলেন।

তিনি বলেন, সময় না পেলে যে কোনো ভালো জায়গায় হার্ট চেকআপ করতে বারবার অনুরোধ করেন তিনি। কিন্তু আর যাওয়া হয়নি। ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছে শুনলে গহরের বিয়ে ভেঙে যেত। তাই বিয়ে করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নেন গহর। তিনি ভাই নাওয়াজের সন্তাদের নিজের সন্তানের মতো যত্ন নিতেন।

গহর ওপেন হার্ট সার্জারি রোগী ছিলেন। চিকিৎসক জানিয়েছেন, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ধরনের মৃত্যু অনেকেরই হতে পারে। হৃৎস্পন্দন বন্ধ হলে বা কমে গেলে কিংবা শ্বাস-প্রশ্বাস সাময়িক কমে গেলে তাকে সিপিআর দিয়ে সহায়তা করা যায় কার্ডিও-পালমোনারি রিসাসিটেশন বা সিপিআর জীবন রক্ষাকারী একটি কৌশল।

হার্ট অ্যাটাক বা বিভিন্ন কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হলে জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে সিপিআর দেয়াটা বিশ্বজুড়ে প্রচলিত। গহরের মৃত্যুর সেই ভিডিওতে আমরা দেখতে পাই, উত্তরায় ব্যাংকে কাজ করা ওই কর্মকর্তা অসুস্থ হয়ে পড়ে গেলে সহকর্মীরা তাকে উঠে বসানোর চেষ্টা করলেও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিতে কেউ এগিয়ে আসেনি। নারী সহকর্মী শুশ্রূষার চেষ্টা করছিলেন তাদের কেউ সিপিআর দেননি।

বিখ্যাত হৃদরোগ চিকিৎসক ড. দেবী শেঠি বলেছেন, হার্ট এটাকের রোগীকে সিপিআর না দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া আর কফিন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া একই কথা। এখানেও তাই হয়েছে।

COMMENTS

[gs-fb-comments]