প্রেমের টানে কলকাতার তরুণী পিরোজপুরে

প্রেমের টানে কলকাতার তরুণী পিরোজপুরে

একসঙ্গে করছিলেন তিনটি সরকারি চাকরি, ধরা খেলেন ৩০ বছর পর
ডেঙ্গু রোগে আক্রন্তদের দায়িত্ব নিলেন মাশরাফি
হঠাৎ ফেসবুকের বিপর্যয়

ফেসবুক সম্পর্কের সূত্র ধরে সুদূর কলকাতা থেকে বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠিতে ছুটে এসেছেন সুস্মিতা নামে এক তরুণী। কোনো পাসপোর্ট ছাড়াই যশোরের বেনাপোল হয়ে দালালচক্রের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন বলে জানান।

সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুরের স্বরূপকাঠী উপজেলার যুবক মো. খাইরুল তার বাবা সোলায়মানের সঙ্গে কুমিল্লায় হোটেল ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। কুমিল্লায় অবস্থানকালে চার বছর আগে কলকাতা বেলু শহরের সুস্মিতার সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয়ের পর বার্তা আদান-প্রদানে তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে গভীর সম্পর্ক। বাবা-মা বিয়ে ঠিক করলে সেখান থেকে বেনাপোলের বর্ডার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে চলে আসেন সুস্মিতা। এরপর খাইরুলের সঙ্গে চার দিন কুমিল্লায় অবস্থান করার পর গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের স্বরূপকাঠীতে আসেন এবং এখানেও তিন দিন অবস্থান করার পর বিষয়টি জানাজানি হয়।

এ বিষয় স্থানীয় সংবাদকর্মীরা খাইরুলের মায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কী করব বুঝতে পারছি না। ছেলের সঙ্গে ওই মেয়েটির ফেসবুকে পরিচয়। বাড়ির ঠিকানা বলছে- কলকাতার বেলুতে। আমরা ওর বাবা-মায়ের সঙ্গে কথাও বলেছি। তারা বলে সুস্মিতাকে জিজ্ঞাসা করেন ও যদি আসতে চায় তাহলে আমরা এসে ওরে নিয়ে যাব।

সুস্মিতার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ফিরো যাব না। আমি এখানে থাকব। কিভাবে পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফেসবুকে খাইরুলে সঙ্গে আমার চার বছরের সম্পর্ক। ম্যাসেঞ্জারে ওর সঙ্গে কথা হতো। এভাবে একে অপরকে ভালোবেসেছি।

এক প্রশ্নে সুস্মিতা বলেন, খাইরুলের সঙ্গে সংসার করতে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম হবেন তিনি।

সুস্মিতা আরো বলেন, বাংলাদেশ সম্পর্কে আমি খাইরুলের কাছ থেকে সবকিছু জেনেছি। তাছাড়া খাইরুলের পরিবার সম্পর্কে সবকিছু জেনেই আমি বাংলাদেশে আসি। আমি খাইরুলকে বিয়ে করতে চাই, কলকাতায় ফিরে যাব না।

খাইরুল এবং সুস্মিতার সর্বশেষ তথ্য জানতে চাইলে খাইরুলের বোন বলেন, তারা কোথায় আছে আমরা জানি না। বর্তমানে ওদের মোবাইল বন্ধ পাচ্ছি।

COMMENTS

[gs-fb-comments]