মৃ’ত্যুর রহস্য জানতে ৪০ দিন পর তোলা হলো রোজিনার লা’শ

মৃ’ত্যুর রহস্য জানতে ৪০ দিন পর তোলা হলো রোজিনার লা’শ

মা-বা’বাকে মে’রে হাসপা’তালে পা’ঠানো সেই মে’য়ে গ্রে’ফতার
চু’রির পর হ’ত্যা, সেই শি’শুর বাবাসহ আ’টক ৩
রায়হান হ’ত্যায় আরও যেসব পু’লিশ সদস্য জ’ড়িত বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল আকবর

মৃ;;ত্যুর র;হস্য উদঘাটন করতে আদালতের নির্দেশে দাফনের ৪০ দিন পর কবর থেকে তোলা হলো নারায়ণগঞ্জের বন্দর

উপজেলার এইচএম সেন রোড এলাকার আব্দুল জাব্বার সরদারের মেয়ে রোজিনা আ;ক্তারের লা;শ। বৃহস্পতিবার দুপুরে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতে কল্যান্দি ক;ব;রস্থা;ন থেকে ম;র;দে;হ তু;লে ময়;নাতদ;ন্তে পাঠিয়েছে পিবিআই।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মা;ম;লার তদন্ত কর্মকর্তা আবু সায়েম।তিনি জানান, আদালতের মাধ্যমে মামলাটি পিবিআই-এর হাতে আসে। পরে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য মরদেহ তোলার আবেদন করা হয়। পরে বন্দর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা সুলতানা শারমিনের উপস্থিতিতে কল্যান্দি ক;বর;স্থান থে;কে লা;শ; তুলে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নি;হ;ত রোহিনা আক্তারের বড় ভাই মাসুদ বলেন, ৭ বছর আগে বন্দরের রাজবাড়ি এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মুরাদের সঙ্গে আমার বোনের বিয়ে হয়। ওদের ঘরে একটি সন্তানও রয়েছে। ৪০ দিন আগে তার মা;;রা যায়। রোজিনার স্বামী ও

শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানায়- সে স্ট্রোক করে মারা গেছে। স্বাভাবিক মৃ;;ত্যু হয়েছে ভেবে আমরাও তাকে দা;ফ;ন করি। পরে জানতে পারি আমার বোনকে নি;র্যা;তন মে;রে ফেলা হয়েছে। এ ঘ;টনায় আমি রোজি;নার স্বামী-শাশুড়িসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আ;দালতে মা;ম;লা করি।

পিবিআই কর্মকর্তা আবু সায়েম জানান, এ মা;ম;লার আ;সামিরা হলেন- নি;হ;ত রোজিনা আক্তারের স্বামী মুরাদ, শা;শুড়ি পিয়ারা বেগম, একই উপজেলার সালেহনগর এলাকার দ্বীল মো;হাম্মদ মিয়ার ছেলে কুতুব উদ্দিন, তার স্ত্রী জিয়াসমিন, ছেলে লারসন। তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দোষীদের শ;না;ক্ত করে শিগ;গিরই আ;ইনের আওতায় আনা হবে।মৃ;;ত্যুর র;হস্য উদঘাটন করতে আদালতের নির্দেশে দাফনের ৪০ দিন পর কবর থেকে তোলা হলো নারায়ণগঞ্জের বন্দর

উপজেলার এইচএম সেন রোড এলাকার আব্দুল জাব্বার সরদারের মেয়ে রোজিনা আ;ক্তারের লা;শ। বৃহস্পতিবার দুপুরে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতে কল্যান্দি ক;ব;রস্থা;ন থেকে ম;র;দে;হ তু;লে ময়;নাতদ;ন্তে পাঠিয়েছে পিবিআই।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মা;ম;লার তদন্ত কর্মকর্তা আবু সায়েম।তিনি জানান, আদালতের মাধ্যমে মামলাটি পিবিআই-এর হাতে আসে। পরে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য মরদেহ তোলার আবেদন করা হয়। পরে বন্দর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা সুলতানা শারমিনের উপস্থিতিতে কল্যান্দি ক;বর;স্থান থে;কে লা;শ; তুলে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নি;হ;ত রোহিনা আক্তারের বড় ভাই মাসুদ বলেন, ৭ বছর আগে বন্দরের রাজবাড়ি এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মুরাদের সঙ্গে আমার বোনের বিয়ে হয়। ওদের ঘরে একটি সন্তানও রয়েছে। ৪০ দিন আগে তার মা;;রা যায়। রোজিনার স্বামী ও

শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানায়- সে স্ট্রোক করে মারা গেছে। স্বাভাবিক মৃ;;ত্যু হয়েছে ভেবে আমরাও তাকে দা;ফ;ন করি। পরে জানতে পারি আমার বোনকে নি;র্যা;তন মে;রে ফেলা হয়েছে। এ ঘ;টনায় আমি রোজি;নার স্বামী-শাশুড়িসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আ;দালতে মা;ম;লা করি।

পিবিআই কর্মকর্তা আবু সায়েম জানান, এ মা;ম;লার আ;সামিরা হলেন- নি;হ;ত রোজিনা আক্তারের স্বামী মুরাদ, শা;শুড়ি পিয়ারা বেগম, একই উপজেলার সালেহনগর এলাকার দ্বীল মো;হাম্মদ মিয়ার ছেলে কুতুব উদ্দিন, তার স্ত্রী জিয়াসমিন, ছেলে লারসন। তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দোষীদের শ;না;ক্ত করে শিগ;গিরই আ;ইনের আওতায় আনা হবে।

COMMENTS

[gs-fb-comments]