এক ছেলের আশায় পেয়ে গে’লেন আরও দুই ছেলে ও এক মেয়ে

এক ছেলের আশায় পেয়ে গে’লেন আরও দুই ছেলে ও এক মেয়ে

প্রথম রোহিঙ্গা শিশুর জন্ম নিল নোয়াখালীর ভাসানচরে!
মৌলভীবাজারে অভিন্ন পেটের জোড়া শিশুর জন্ম
মাস্ক ব্যবহার না করায় নন্দীগ্রামে ১৪ জনের জরি’মানা

পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যার বাবা-মা নাজমুল হোসেন ও হাবিবা বেগম দম্পতি। গর্ভে সন্তান আশায় সৃষ্টিকর্তার কাছে চাওয়া ছিল একটাই যেন এবার কোলজুড়ে আসে ছেলে। শ্রষ্ঠা তাদের ফরিয়াদ শুনেছেন। হাবিবা বেগমের কোলজুড়ে এসেছে জমজ দুই ছেলে ও এক মেয়ে। সবমিলিয়ে ছেলে মেয়ে এখন তাদের দ্বিগুন।

গত ১১ জানুয়ারি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে অ’স্ত্রপ’চারে এই তিন জমজ সন্তানের জ’ন্ম দেন হাবিবা। শা’রীরিক জটিলতার কারণে আটমাসেই সন্তান প্র’সব করান চিকি’ৎসক।

এরপরই নবজাতবকে নেয়া হয় রামেক হাসপাতালের শি’শু ওয়ার্ড- ২৪ নম্বরে। টানা চিকিৎ’সা শেষে এখন অনেকটাই সু’স্থ নবজাতকেরা। নবজাতকের বাবা নাজমুল ইসলাম রাজশাহীর কর্ণহার থা’নার বাকশিমইল এলাকার বাসিন্দা। তিনি রাজশাহী মহানগর পু’লিশে ক’র্মরত।

তিনি জা’নিয়েছেন, হাবিবা বেগমের স’ঙ্গে তার সাত বছরের সংসার। তাদের নাবিহা নামের ৫ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। সৃষ্টিকর্তার কাছে তাদের চাওয়া ছিল ছেলে সন্তান। তার স্ত্রী একস’ঙ্গে দুই ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের জ’ন্ম দিয়েছেন। আল্লাহ তাদের চাওয়া দ্বিগুন করে পূরণ ক’রেছেন। এনিয়ে শুকরিয়া আদায় করেন তিনি।

নাজমুল বলেন, জ’ন্মের পর নবজাতদের গড় ওজন ছিলো ১ দশমিক ৮ কেজি। আট মাসেই তাদের ভূমিষ্ট করেন চিকি’ৎসক। এরপর থেকেই তাদের নীবিড় চিকিৎ’সা চলছিল। এখন তারা অনেকটাই সু’স্থ। আজকালের মধ্যে তাদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হতে পারে।

হাসপাতালের শি’শু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত চিকি’ৎসক ডা. লিমা জা’নান, এমন অপ’রিণত নবজাতকের ক্ষেত্রে প্রায় ৮০ শতাংশ মা’রা যায় রো’গ প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা গড়তে না পেরে। কিন্তু এই তিন নবজাতক টানা চিকিৎ’সায় সু’স্থ আছে।

COMMENTS

[gs-fb-comments]