অবশেষে আল্লামা শফীর দা’ফন নিয়ে চুড়ান্ত সিন্ধান্ত

অবশেষে আল্লামা শফীর দা’ফন নিয়ে চুড়ান্ত সিন্ধান্ত

টাঙ্গাইলে ছাত্র অধিকার পরিষদের মানববন্ধনে ছাত্রলীগের হামলা
টেকনাফে ৪ লাখ ২৪ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ
পুত্রবধূকে অর্ধকোটি টাকার ফার্নিচার দিল ডিপজল!

সদ্যপ্রয়াত হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফীর নামাজে জানাজা ও দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। শনিবার

(১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে আল জামেয়াতুল দারুল উলুম মইনুল ইসলাম মাদরাসায় নামাজে

জানাজা হবে। মাদরাসাতেই তাকে দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার প্রচার সম্পাদক আ ন ম আহমেদ উল্লাহ।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ঢাকার গেণ্ডারিয়ায় বেসরকারি আজগর আলী হাসপাতালে মা;রা যান বর্ষীয়ান আলেম শাহ আহমদ শফী। প্রায় ৩৪ বছর ধরে তিনি ‘বড় মাদরাসা’ হিসেবে পরিচিত আল জামেয়াতুল দারুল

উলুম মইনুল ইসলাম মাদরাসার মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) সভাপতির দায়িত্বও পালন করছিলেন।

আ ন ম আহমেদ উল্লাহ বলেন, ‘বড় হুজুরকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হচ্ছে। মাদরাসার শুরা কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে- শনিবার জোহরের নামাজের পর দুপুর ২টায় মাদরাসা প্রাঙ্গণে উনার নামাজে জানাজা হবে। একবারই জানাজা হবে। এরপর মাদারাসার ভেতরেই হুজুরকে দা;ফন করা হবে।’

শতবর্ষী ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব শাহ আহমদ শফী দীর্ঘদিন ধরে বা;র্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে চট্টগ্রাম

মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন থেকেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। আ;শঙ্কাজনক অবস্থায় শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চমেকের মাঠ থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়।

দেশের কওমি অঙ্গনের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছে ‘বড় হুজুর’ হিসেবে পরিচিত শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বে ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠা হয় হেফাজতে ইসলাম, বাংলাদেশ। আমৃ;ত্যু তিনি সংগঠনটির আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

COMMENTS

[gs-fb-comments]