মিন্নি মনে করে তিন্নিকে জড়িয়ে ধরেছিল সাবেক দুলাভাই, এরপর চিৎকারের শব্দ

মিন্নি মনে করে তিন্নিকে জড়িয়ে ধরেছিল সাবেক দুলাভাই, এরপর চিৎকারের শব্দ

পুরান ঢাকার মেয়ে মালয়েশিয়ায় সফল উদ্যোক্তা
নোয়াখালীতে কালামের পর আরও একজন আট;ক
স্ত্রী, মেয়েসহ ক’রোনায় আ’ক্রান্ত মেয়র আতিক

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক ছাত্রী উলফাত আরা তিন্নির মৃ’ত্যুর ঘটনায় দা’য়ের করা মাম’লার প্রধা’ন আ’সা’মি জামিরুল ইসলাম জোয়ারদার ১৬৪ ধারায় স্বী’কারো’ক্তিমূলক জ’বানব’ন্দি দিয়েছেন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) ঝিনাইদহের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হা’জির করা হয় তাঁকে। সং’শ্লিষ্ট আ’দালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম তাঁর জবা’নব’ন্দি রেকর্ড করেন।

তিনি জানান, প্রধান আসা’মি জামিরুল ইসলাম জোয়ারদারকে গত বুধবার ভোররাতে মাগুরা জেলা শহরের ভায়না এলাকা থেকে গ্রে’প্তার করা হয়। ওই দিন তাঁকে আ’দালতে হাজির হয় এবং মাম’লার তদ’ন্ত কর্মকর্তা শৈলকুপা থানার পরিদর্শক মহসীন আলী সাত দিনের পুলিশ রিমা’ন্ডের আবেদন জানান। আ’দালত তিন দিনের রিমা’ন্ডের আদেশ দেন।

আজ ছিল রিমা’ন্ডের শেষ দিন। দুপুরের দিকে জামিরুলকে আ”দালতে হাজির করা হয়। এরপর সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তাঁর দেওয়া আট পাতার জ’বানব’ন্দি রেকর্ড করেন বিচারক। জ’বানব’ন্দিতে তিন্নির মৃ’ত্যুর বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেছেন

জামিরুল। জবা’নব’ন্দি রেকর্ড করা শেষে ক’ঠোর নি’রাপ’ত্তায় রাতেই জামিরুলকে জে’লা কা’রাগা’রে পাঠানো হয়।

আট পাতার জবা’নব’ন্দিতে তিন্নির মৃ’ত্যুর বিষয়ে জামিরুল কী ধরনের তথ্য দিয়েছেন তা তদ’ন্তের স্বার্থে প্রকাশ করতে

রাজি হননি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। গত ১ অক্টোবর মধ্য রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রী উলফাত আরা তিন্নিকে নিজ বাড়ির একটি কক্ষ থেকে ঝুল’ন্ত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা উ’দ্ধার করেন। এরপর তাঁকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিন্নিকে মৃ’ত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার আগে সেদিন রাতে তিন্নির মেজ বোন স্কুলশিক্ষক ইফ্ফাত আরা মিন্নির সাবেক স্বামী জামিরুল তাঁদের বাড়িতে গিয়ে অ’কথ্য ভাষার গা’লিগা’লাজ ও ভা’ঙচুর করেন। এ ঘটনার পরে তিন্নি আ’ ত্মহ’ ত্যা করেন। এ ব্যাপারে তিন্নির

মা হালিমা বেগম বাদী হয়ে জামিরুল ইসলাম জো’য়ারদারকে প্রধান আসা’মি করে আটজনের নাম উল্লেখ করে নারী ও

শিশু নি”র্যা’ তন দমন আই’নে শৈলকুপা থানায় একটি মা’মলা করেন। প্রধান আসামিসহ পাঁচজনকে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ। এদিকে তিন্নির মায়ের বর্ণনায় ফুটে উঠেছে সেই রাতের নৃ’শংস”তা।

নি’হ’ত তিন্নির পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বড় বোনের আগেই বিয়ে হয়ে গেছে। তিন বোনের মধ্যে তিন্নি ছিলেন ছোট। মেঝ বোনের বিয়ে হয়েছিল তাদের এক কাজিন জামিরুলের সঙ্গে। তবে বিভিন্ন কারণে সে বিয়ে টে’কেনি। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শৈলকুপার শেখপাড়া গ্রামে নিজের ঘর থেকেই তিন্নির ম’রদে’হ উ”দ্ধা’র হয়।

মা হালিমা বেগম বলেন, ‘ওইদিন তিন্নি এক বান্ধবীর বিয়ের অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া গিয়েছিল। অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরে রাত ৮টার দিকে। এর কিছু সময় পর মেজো মেয়ে মিন্নির তা’লা’কপ্রাপ্ত স্বামী জামিরুল গো’পনে তিন্নির রুমে ঢোকে এবং

খাটের নিচে লুকিয়ে থাকে।তিন্নি বাইরে থেকে এসে পোশাক বদল করে বাসার নিচ তলায় তার সঙ্গে (মা হালিমার সঙ্গে) দেখা করে, একটু বসে। এরপর ঘুমাতে তার রুমে যায়।’

তিন্নির মা ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আরো বলেন, ‘এরপর তিন্নি বুঝতে পারে তার খাটের নিচে কেউ লু’কিয়ে আছে। লোকটি খাটের নিচ থেকে বের হয়ে এক পর্যায়ে তিন্নিকে জা’প’টে ধরে। শুরু হয় ধ’স্তাধ’স্তি। এ সময় চিৎ’কা’র দেয় তিন্নি। লোকটি ছিল জামিরুল।’

 

COMMENTS

[gs-fb-comments]